৮টি মাছের দাম হাঁকানো হয় ৩০ লাখ টাকা!

জেলের জালে ধরা পড়েছে ৮টি বিশাল আকৃতির কালো পোয়া মাছ। কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপে সমুদ্রপাড়ে ধরা পড়ে মাছ গুলো। মাছগুলোর দাম ৩০ লাখ টাকা হাঁকানো হলে ২৫ লাখ পর্যন্ত দাম উঠে। তবে কঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে বিক্রি করা হয়নি। পরে মাছ গুলো বিক্রির উদ্দেশ্যে চট্টগ্রাম নিয়ে যাওয়া হয়।

 

 

জানা যায়, গত সোমবার শহিদুল হক তার ছোট ভাইসহ আরো দুইজন জেলেকে নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। সমুদ্রের কুয়াঁরদ্বার পয়েন্টে কয়েকটি জাল ফেলে তারা। দুপুরের শেষের দিকে তাদের জালে ৮ টি কালো পোয়া মাছ ধরা পড়ে।

 

 

মাছ ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সরাসরি ও চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীরা ফোনে দাম দর করতে থাকে। শহিদুল স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছে মাছগুলোর দাম ৩০ লাখ চাইলে তারা ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলে। তবে কাঙিক্ষত দাম না পেয়ে মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রামে বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হবে এসব মাছ।

 

 

জেলে আব্দুল মজিদ বলেন, প্রতিদিনের মতো আজকেও সমুদ্রে মাছ ধরতে যাই। দুপুরের শেষের জাল টান দিলে এই ৮টি পোয়া মাছ ধরা পড়ে।

 

 

মাছগুলো ধরা পড়ায় আমরা ও আমাদের পরিবারের সবাই আনন্দিত। এর আগে নৌকায় এতোগুলো পোয়া মাছ একসাথে ধরা পড়েনি। দাম ধরা হয় ৩০ লাখ। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কাঙিক্ষত দাম না পাওয়ায় মাছগুলো চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

 

 

মাছগুলো সার্জিক্যাল কাজে ব্যবহার হয় সুতা হিসাবে, ভিটামিন-ই ক্যাপসুল তৈরি হয়, সর্বশেষ বিদেশে এসব মাছের বায়ুথলি দিয়ে অনেক দামি সুপ বানানো হয়।

 

 

মাছটির উচ্চমূল্য হওয়ার কারণ হলো, বিদেশে উচ্চমূল্যে এই বড় মাছ ও এগুলোর বায়ুথলি রপ্তানি হয় বলেই মাছটির এত মূল্য। হংকংসহ পৃথিবীর অনেক দেশেই এই মাছের বায়ুথলি আকার ভেদে গ্রেড হিসেবে বিক্রি হয়। বঙ্গোপসাগরে এই মাছের অধিকমাত্রায় বিচরণ রয়েছে বলে জানা যায়।

 

তথ্যসূত্রঃ আধুনিক কৃষি খামার