ডাবের দাম শুনে হতাশ ক্রেতারা, প্রতি পিছ ১৫০ টাকা!

চলছে আশ্বিন মাস। এই আশ্বিনেও চৈত্রের গরম। এই গরমে তেষ্ঠা মেটাতে মানুষের সবচেয়ে প্রিয় ডাবের পানি। রাজধানীবাসীর কাছেও ডাব প্রথম পছন্দ। মৌসুমে ডাবের ব্যাপক উৎপাদন হয়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীর সব বাজারে ডাব আসে।

 

 

ফলে ক্রেতাদের চাহিদাও দিন দিন বাড়তে থাকে। চাহিদার পাশাপাশি বেড়েছে ডাবের দাম। ডাবের অতিরিক্ত দামের কারণে গরমের আরাম ও শরীরের প্রশান্তি বয়ে আনা এই ডাবের পানি কিনে খেতে হিমশিম খাচ্ছেন ক্রেতারা।

 

 

রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, বড় আকারের প্রতিটি ডাব ১৪৫-১৫০ টাকায়, মাঝারি আকারের ১১০-১৩০ টাকা, ছোট আকারের ডাব ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, অন্যান্য সকল দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি ও বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাকে করে ডাব নিয়ে আসতে অতিরিক্ত ভাড়া দিতে হচ্ছে। তাই ডাবের দামও বেড়েছে।

 

 

বাংলামোটর এলাকার ডাব বিক্রেতা সৌরভ মিয়া বলেন, রাজধানীতে ডাবের অনেক চাহিদা থাকলেও ডাবের দাম বেশি হওয়ার কারণে ক্রেতারা এখন ডাব তেমন খাচ্ছেন না। আমাদেরও কিছু করার নেই। আমরা বেশি দাম দিয়ে কিনে আনতে হয়। তাই বেশি দামও বিক্রি করতে হয়। বড় সাইজের একটি ডাব ১৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে।

 

 

পান্থপথ এলাকার ডাব ক্রেতা ইকবাল হোসেন বলেন, আগে আমি প্রতিদিনই ডাবের পানি পান করতাম। কিন্তু এখন ডাবের দাম খুব বেশি বেড়ে যাওয়ার কারণে কম খেতে হচ্ছে। গত দুই মাস আগে ডাব ৯০-১০০ টাকায় কিনে খেতাম। এখন ১৩০-১৫০ টাকায় কিনে খেতে হচ্ছে।

 

 

ইস্কাটন এলাকার ডাব ক্রেতা ইমরান ইসলাম বলেন, আমাদের কোনোদিক দিয়ে শান্তি নেই। সব কিছুর দামই বেশি। ডাব বিক্রেতারা ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছে। সরকারের এইদিকে নজর দেওয়া দরকার।

 

 

মগবাজার এলাকার ডাব বিক্রেতা বলেন, ডাবের দাম কম বা বেশি কোনোটাই আমাদের হাতে নেই। আমরা বেশি দাম দিয়ে কিনে আনি। সেই অনুযায়ী দামে বিক্রি করি। যদি কম দামে কিনে আনতে পারতাম তাহলে ডাবের দাম কম হতো। সব ধরনের জিনিসেরই দাম বেশি। ডাব বিক্রি করে যদি লাভ করতে না পারি তাহলে আমরা আমাদের সংসার কিভাবে চালাবো।

 

তথ্যসূত্রঃ আধুনিক কৃষি খামার