সঠিক নিয়ম মেনে গাভীর যত্ন নিলে লাভ হবে দ্বিগুণ

গাভী পালনে খামার ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে সেগুলো খামারিদের সঠিকভাবে জেনে রাখা জরুরী। আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গাভী পালন করা হচ্ছে। সঠিক নিয়ম মেনে গাভীর যত্ন নিলে ও পালন করলে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। চলুন আজ জানবো গাভী পালনে খামার ও খাদ্য ব্যবস্থাপনায় যা করতে হবে সেই সম্পর্কে-
একটি পূর্ণ বয়স্ক গাভীর জন্য সর্ব সাকুল্যে ২৮-৩০ বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন হয়।

 

 

সেই হিসেবে প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাভীর জন্য শেড নির্মাণ করতে হবে। গাভী পালনের জন্য শেড পূর্ব – পশ্চিমে লম্বা হলে ভাল হয়। শেডের মেঝে, খাদ্যের পাত্র, পানির পাত্র ইত্যাদি পাকা করলে ভালো হয়। তবে শেডের উপরে টিন অথবা ছনের ছাউনি দেওয়া যেতে পারে।

 

 

নিকটস্থ গাছ ও ডালপালা কেটে ফেলে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। সেডে পানীয় জলের সরবরাহ ও পয়ঃ নিস্কাশনের ব্যাবস্থা থাকতে হবে। খামারের চারিপাশে উচু মজবুত বেষ্টনী তৈরি করে দিতে হবে।

 

 

গাভীর প্রয়োজনীয় খাদ্যঃ

চালের কুড়া, গমের ভুষি, খেসারি ভুষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, মুশুর, মুগ,ছোলা, ও মটরের ভুষি, তিলের খৈল, তিষির খৈল, ধানের খড়, ভুট্টার খড় ইত্যাদি গো খাদ্য হিসাবে ব্যাবহার করা হয়। তবে কাঁচা ঘাস গবাদিপশুর প্রধান খাদ্য।

 

 

দানাদার খাদ্যঃ

চালের কুড়া, গমের ভুষি, খেসারি ভুষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, মুশুর, মুগ,ছোলা, ও মটরের ভুষি, তিলের খৈল, তিষির খৈল ইত্যাদি দানাদার খাদ্যের অনন্তর্ভুক্ত। এ সকল খাদ্য উপাদান নির্দিস্ট অনুপাতে মিশিয়ে সুষম দানাদার খাদ্য তৈ্রী করা হয়।

 

 

আঁশ জাতীয় খাদ্যঃ

ধানের খড়, ভুট্টার খড়, কাঁচা ঘাস ইত্যাদি গবাদিপশুর আঁশ জাতীয় খাদ্য হিসাবে ব্যাবহার করা হয়। আঁশ জাতীয় খাদ্য দুই ভাগে ভাগ করা যায়-

ক) কাঁচা ঘাস খ) শুকনো খড়।

 

আশা করি এই নিয়ম মেনে গাভী পালন করলে আপনি অনেক লাভবান হবে।

 

তথ্যসূত্রঃ আধুনিক কৃষি খামার