ভেঙ্গে জাওয়া সম্পর্কে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে যা যা করতে হবে

জীবনে চড়াই-উতরাই থাকে। কখনো কখনো কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত সত্য সামনে এসে দাঁড়ায়। যেকোনো সম্পর্কে সেই লুকানো সত্য প্রভাব ফেলে। নিজের কাছে মনে হয়, ধোঁকা খেয়ে গেলাম। বোকা বনে গেলাম। যিনি ঘটনাটি ঘটান তাঁরও নিশ্চয় কিছু বলার থাকে, করার থাকে। সেসব তো করবেনই। তার আগে সমস্যার সমাধান করতে হবে।

বিশ্বাস যে তিনিই ভেঙেছেন। সঙ্গীর মনে কষ্ট দিয়েছেন। সম্পর্ক আগের অবস্থায় নিয়ে যেতে বেশি উদ্যোগী হতে হবে তাঁকে। পরামর্শ দেওয়া যত সহজ, কাজটি করতে পারা ততটাই কষ্টসাধ্য। তবুও চাইলে কিছু চেষ্টা করতে পারেন। বিশ্বাস এমন এক বিষয়, একবার ভেঙে গেলে আগের জায়গায় নিতে অনেক কষ্ট করতে হবে।

আপনার অবস্থান পরিষ্কার করা: ঘটনা যাই হোক তা যদি সত্য হয়, তাহলে এড়িয়ে যাওয়া বা অস্বীকার করার চেষ্টা করবেন না। এতে আরও ভুল বোঝাবুঝি বাড়বে। অস্বস্তি মনে নিয়ে সঙ্গী আপনার সঙ্গে চলবে। তার থেকে সত্যের সঙ্গে থাকুন। ভুল বোঝাবুঝি হলে ভুল ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করুন। সঙ্গী যদি আপনার ওপর রেগেও যায়, তবুও আপনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না। ধীরে ধীরে বুঝিয়ে বলুন, কোন পরিস্থিতিতে কী হয়েছে।

ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া: ভুল হলে ক্ষমা চাইলে লজ্জার কিছু নেই। আপনি যে অনুতপ্ত, সেটা যেকোনো অবস্থাতেই বোঝাবেন। ভুল স্বীকার করা বা ক্ষমাপ্রার্থী হওয়া মানুষকে মহৎ করে। সঙ্গী বুঝতে পারবেন আপনি বুঝতে পেরেছেন কাজটি আপনি ঠিক করেননি। বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে এটি খুব প্রয়োজন। তবে এমন কোনো কাজ করবেন না, যাতে আপনার সঙ্গী বিব্রত হতে পারেন। চিঠি লিখেও ক্ষমা চাইতে পারেন।

সঙ্গীকে পর্যাপ্ত সময় দিন: ভুল বোঝাবুঝির অবসানের পর সঙ্গীকে আরও সময় দিন। তাঁর রাগ, অভিমানকে সম্মান জানান। চাইলে দুজন মিলে দূরে কোথাও থেকে ঘুরে আসতে পারেন। চেনা পরিবেশ থেকে কোথাও গেলে অনেক সময় মনের মেঘ কেটে যায়। মনে রাখতে হবে, বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে বাড়তি সময়, বাড়তি চেষ্টা করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

দায়িত্ববান হতে হবে: যা হয়ে গেছে বা হয়েছে। আবার নতুন করে শুরু করতে পারেন। একবার চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। অনেক বেশি দায়িত্ববান হতে হবে সম্পর্কের প্রতি, সঙ্গীর প্রতি। তাহলে দেখবেন সমস্যা অনেক কমে গেছে।