আধুনিক যুগে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে মেনে চলুন এই ৫ পরামর্শ

দৈনন্দিন জীবনে ছোট ছোট কিছু অভ্যাস মানুষকে ঠেলে দেয় ক্যানসার নামের প্রাণঘাতী রোগের দিকে। কিছু অভ্যাস ছেড়ে দিলে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমে।

১. পান, সুপারি, সিগারেটসহ যেকোনো তামাকজাত পণ্য বর্জনীয়।

২. লবণের সাহায্যে প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং ধোঁয়ায় পুড়িয়ে রান্না করা খাবার (স্মোকড ফুড) ঝুঁকিপূর্ণ। গরু-খাসির মাংস এবং প্রাণিজ চর্বি থেকে তৈরি করা খাবার কম খাওয়া উচিত।

৩. প্রচুর তাজা ফলমূল এবং শাকসবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। দুধ বা দুধের তৈরি খাবার রাখুন খাদ্যতালিকায়। মাছের তেলও ভালো। সামুদ্রিক মাছ ও আখরোট খান। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

৪. ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়লে এর চিকিৎসায় ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। দৈনন্দিন মলত্যাগের অভ্যাসে বড় কোনো পরিবর্তন, কিছুদিন পাতলা পায়খানা আবার কিছুদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সঙ্গে র’ক্ত, পেটে কোনো চাকা অনুভব করা হতে পারে পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ। হঠাৎ ওজন হ্রাস, হঠাৎ অতি অম্লত্ব, অরুচি বা বমি হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তিদের ঝুঁকি এড়াতে বছরে একবার কিছু পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যেমন-র’ক্তের হিমোগ্লোবিন, র’ক্তশূন্যতা থাকলে মলে র’ক্তের উপস্থিতি, যকৃতের অবস্থা ইত্যাদি। পরিবারের কেউ পরিপাকতন্ত্রের ক্যানসারে আক্রান্ত হলে অন্যদেরও ঝুঁকি থাকতে পারে।