যেসকল প্রয়োজনে ব্যবহার করা যেতে পারে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার, দেখুন বিস্তারিত

ঘরোয়া কোনও উপায়ের বিষয়ে জানতে গেলেই আজকাল চোখে পড়ে একটি নাম ‘অ্যাপেল সিডার ভিনিগার’। ত্বকের জেল্লা বৃদ্ধি থেকে ওজন কমানো, সব ক্ষেত্রে এটির ব্যবহার হয় কম বেশি। চলুন কথা না বাড়িয়ে জেনে নেওয়া যাক অ্যাপেল সিডার ভিনিগার সম্পর্কে নানা অজানা তথ্য।
অ্যাপেল সিডার ভিনিগার আসলে কি

• আপেলের থেকে তৈরি একপ্রকারের জুস হচ্ছে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার।

• আপেল ফার্মেন্ট করে সাধারণত এই জুস বানানো হয়।

• আপেলের জুসের সাথে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট মিশিয়ে এটি বানানো হয়।

• রঙ বাদামি হয় ও স্বাদ টক।

• এসিটিক অ্যাসিড, ভিটামিন, মিনারেলস ও অ্যামিনো অ্যাসিড থেকে এতে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার কি কি কাজে লাগে

• অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মেটাবলিসম অর্থাৎ হজম শক্তিকে ঠিক রাখে।

• অতিরিক্ত মেদ শরীরে জমতে দেয় না।

• অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ব্লাড সুগারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।

• স্কিনের উজ্জলতা বাড়াতে সাহায্য করে।

• অতিরিক্ত চুল ওঠা বন্ধ করে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার।

অ্যাপেল সিডার ভিনেগার স্কিনে কিভাবে ব্যবহার করবেন

• একটি কাঁচের বাটিতে এক চা চামচ জল নিয়ে তাতে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মেশান।

• অ্যাপেল সিডার ভিনেগার ও জল ভালো করে মিশিয়ে নিন। ৫মিনিট নর্মাল টেম্পারেচারে রাখুন।

• তুলো এই মিশ্রণে ভিজিয়ে টোনারের মত স্কিনে লাগান।

• সপ্তাহে তিনবার করে করুন ভালো ফল পেতে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার চুলে কিভাবে ব্যবহার করবেন

• প্রথমে ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন।

• এবার এক মগ জলে ২ চা চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন।

• অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মেশানো জল দিয়ে চুল ধুয়ে নিন।

• চুলে খুশকি থাকলে তা দূর হবে।

• সপ্তাহে দুবার করে করুন আর পান সুন্দর সিল্কি চুল।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার ওজন কমাতে কিভাবে ব্যবহার করবেন

• সকালে এক গ্লাস জলে ২ চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে খান।

• একমাস নিয়মিত খান রোজ সকালে।

• মেটাবলিসম বাড়িয়ে দেবে ফলে অতিরিক্ত মেদ জমবে না, ওজন কমবে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের অন্যান্য ব্যবহার

• মুখের দুর্গন্ধ দূর রাখতে সাহায্য কর।

• ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখে।

• হার্টকে ভালো রাখে, হার্টের সমস্যা থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

• ভালো কলেস্টেরলকে শরীরে জমতে সাহায্যে করে।

• অতিরিক্ত হাঁচির সমস্যা থাকলে তা দূর করে সহজে।