শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য প্রতিদিন একটু বাদাম খাওয়া জরুরী

বিভিন্ন রকমের বাদাম পাওয়া যায় বাজারে। বাদাম খুবই ভালো মানের উদ্ভিজ্জ আমিষ। আমিষ ছাড়াও বাদামে রয়েছে যথেষ্ট পরিমাণে অসম্পৃক্ত চর্বি ও প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম। অসম্পৃক্ত চর্বি বা ওমেগা ৩ চর্বি হৃদ্‌বান্ধব। এতে কোনো ক্ষতি নেই বরং এটি উপকারী।

হার্ভার্ড স্কুল অব হেলথের একটি বৃহৎ গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, বাদাম হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুঝুঁকি কমায়। আরেকটি গবেষণায় দেখা যায়, সপ্তাহে দুবার অন্তত ৩০ গ্রাম করে বাদাম খেলে আকস্মিক হৃদ্‌রোগজনিত মৃত্যুঝুঁকি ৪৭ শতাংশ কমে।

বাদাম ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়ামের ভালো উৎস। স্নায়ুতন্ত্রের কাজকর্ম ঠিক রাখতে ম্যাগনেশিয়াম দরকার। এই ম্যাগনেশিয়াম বাদামে বেশ ভালো পরিমাণে পাওয়া যায়। বাদামের তৈরি তেল বা মাখন (পিনাট বাটার) থেকেও প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম মেলে।

প্রায় সব ধরনের বাদাম যেমন-চিনাবাদাম, কাজু, কাঠবাদাম ইত্যাদি হৃদ্‌যন্ত্রের জন্য উপকারী। তাই প্রতিদিন বা সপ্তাহে কয়েক দিন বাদাম খাওয়া ভালো অভ্যাস।

রোগ প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ওষুধের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে প্রাকৃতিক প্রতিষেধকগুলো সম্পর্কে ধারণা এবং এদের ব্যবহার জানা জরুরী। সঠিক খাদ্য নির্বাচন এবং ব্যায়াম অসুখ বিসুখ থেকে দূরে থাকার মূলমন্ত্র। রোগের প্রতিকার নয়, প্রতিরোধ করা শিখতে হবে।

এই সাইটটির উদ্দেশ্য বাংলাভাষায় স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করা। তবে তা কোন অবস্থাতেই চিকিৎসকের বিকল্প হিসাবে নয়। রোগ নির্ণয় এবং তার চিকিৎসার জন্য সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।