উপকারিতা জেনে সুস্বাদু ‘পিনাট বাটার’ তৈরি করুন ঘরেই

বাদামের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে আমরা সকলেই কম বেশি জানি। সকালের নাস্তায় বা বাচ্চার স্কুলের টিফিনে অনেকেই পাউরুটি-বাটার দিয়ে চালিয়ে দেন। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি হচ্ছে পিনাট বাটার।

আর বাচ্চারা এই পিনাট বাটার খেতেও ভীষণ পছন্দ করে। কারণ পিনাট বাটার খেতে বেশ সুস্বাদু। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক মজাদার পিনাট বাটার তৈরির রেসিপিটি-

উপকরণ: বাদাম দুই কাপ, তেল দুই চা চামচ, মধু দুই চা চামচ, কোকো পাউডার দুই চা চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ, চকলেট চিপস দুই চা চামচ এবং লবণ স্বাদমতো।

প্রণালী: প্রথমে একটি প্যানে মাঝারি আঁচে বাদামগুলো পাঁচ মিনিট ভেজে নিন।

এবার ভাজা বাদামগুলো একটি ব্লেন্ডারে দিয়ে পাঁচ মিনিট ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন।

এরপর এতে তেল, কোকো পাউডার, গরম মসলার গুঁড়া, মধু, চকলেট চিপস এবং লবণ দিয়ে আরো পাঁচ মিনিট ব্লেন্ড করুন।

হাত দিয়ে দেখে নিন সবগুলো উপকরণ ঠিকমতো ব্লেন্ড হয়েছে কি না।

এরপর একটি বোতলে বাদামের এই মিশ্রণটি রেখে ফ্রিজে ঠান্ডা করুন।

পিনাট বাটারের উপকারিতা

পিনাট বাটার যে শুধুমাত্র সুস্বাদু তাই নয়, এর অনেক উপকারি গুণাগুণও রয়েছে। এতে রয়েছে প্রোটিন, ফাইবার, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন ই। এছাড়াও পটাশিয়াম সমৃদ্ধ পিনাট বাটারে অল্প পরিমাণ জিঙ্ক এবং ভিটামিন ই রয়েছে। যদি পিনাট বাটারের আসল পুষ্টিগুণ সম্পর্কে সবাই অবগত হয়, তাহলে এটি গ্রহণের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে।

> প্রতিদিন ডায়েটে পিনাট বাটার রাখলে, আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে। ওজন অতিরিক্ত বেড়ে যাবে না। আবার শরীরেও যথাযথ পুষ্টি যোগাবে।

> অ্যান্টি-অক্সিডেন্টস, ভিটামিন ই-সহ প্রচুর পরিমাণে নিউট্রিশন রয়েছে পিনায় বাটারে।

> হৃদপিণ্ডের জন্য স্বাস্থ্যকর মোনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট রয়েছে পিনাট বাটারে।

> কোলেস্টেরলের মাত্রা কম করে।

> টাইপ টু ডায়াবিটিসের ঝুঁকি কমায়।

> কোলন, প্রস্টেট এবং স্তন ক্যানসার প্রতিরোধ করে।

> গলব্লাডার স্টোনের ঝুঁকি কমায়।