নোয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী খাবার ‘মরিচ খোলা’

দেশের অন্যান্য জেলার মতো নোয়াখালীরও কিছু ঐতিহ্যবাহী খাবার রয়েছে। যার মধ্যে মরিচ খোলা অন্যতম। নোয়াখালীর মানুষ আতিথেয়তায় অতুলনীয়। মরিচ খোলা তাদের অতিথি আপ্যায়নের অন্যতম একটি জনপ্রিয় রেসিপি।

তবে আপনি চাইলে সুস্বাদু এই রেসিপিটি ঘরে বশে নিজেই তৈরি করে নিতে পারেন। তবে এর আসল স্বাদ পেতে জানতে হবে সঠিক রেসিপিটি। চলুন তবে মরিচ খোলা তৈরির রেসিপিটি জেনে নেয়া যাক-

উপকরণ: পাঁচ মিশালি মাছ আধা কেজি, পেঁয়াজ কুচি ১ কাপ, পেঁয়াজ বাটা ৩ টেবিল চামচ, রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, শুকনো মরিচ বাটা ৩ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, কাঁচা মরিচ ২টি (কুচি), লবণ স্বাদমতো, ধনে পাতা কুচি ৩ টেবিল চামচ, সরিষার তেল সিকি কাপ।

প্রণালী: কাচকি, রুই, পুঁটি, চিংড়িসহ পাঁচমিশালি মাছ নিন। বড় মাছ ছোট টুকরা করুন। মাছ ভালো করে ধুয়ে প্যানে নিন। পেঁয়াজ কুচি, পেঁয়াজ বাটা, রসুন বাটা, শুকনা মরিচ বাটা, হলুদ গুঁড়া, কাঁচা মরিচের টুকরা, স্বাদমতো লবণ, সরিষার তেল ও ধনে পাতা কুচি দিন। হাত দিয়ে ভালো করে মেখে নিন সব উপকরণ।

একটি কচি কলাপাতা পরিষ্কার করে মুছে মাঝের মোটা অংশে ছুরি দিয়ে দাগ কেটে নিন। এতে মাছের মিশ্রণ মোড়ানোর সময় পাতা ছিঁড়ে যাবে না। কলাপাতার মধ্যে পাতলা করে মশলা মাখা মাছ বিছিয়ে চারপাশ থেকে পাতা মুড়ে ঢেকে দিন। তেল বা মশলা যেন বের হতে না পারে, সে জন্য আরো একটি পাতা দিয়ে মুড়িয়ে টুথপিক ও সুতা দিয়ে ভালো করে আটকে নিন।

চুলায় বসানোর ১০ মিনিট আগে মাঝারি আঁচে তাওয়া গরম করে রাখুন। তাওয়ার ওপর কলাপাতা দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। একদম কম আঁচে আধা ঘণ্টার জন্য এভাবে রাখুন। এরপর উল্টে দিয়ে আরো আধা ঘণ্টা একই আঁচে রাখুন। এক ঘণ্টা পর নামিয়ে পাতা কেটে গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন। কলাপাতা না থাকলে একইভাবে ফয়েল পেপার ব্যবহার করেও রান্নাটি করা যাবে।