নতুন বছরে অভিনব পাঁচ উপায়ে মনের মত সাজান বাড়ীর অন্দরমহল

নতুন বছরকে ঘিরে সবারই কমবেশি পরিকল্পনা থাকে। এই সময় অনেকেই নিজের জীবনে কিছু পরিবর্তন নিয়ে আসেন। গত বছরে করা কিছু ভুল শুধরে জীবনকে নতুনভাবে শুরু করার প্রতিজ্ঞা করেন।

সেই সঙ্গে ঘরের একঘেয়েমি রূপ বদলে অন্দরমহলে আনেন নতুনত্ব। ঘরের অন্দরসজ্জার আমূল পরিবর্তন মনেও ফিরিয়ে আনে প্রশান্তি। তাছাড়া প্রাত্যহিক জীবনের একঘেয়েমি কাটাতে অন্দর মহলের রূপ বদলই হয়ে উঠতে পারে চাবিকাঠি।

চলুন তবে জেনে নেয়া যাক এবার বর্ষবরণে অন্দর মহলকে আমূল বদলে ফেলার সহজ কিছু কৌশল-

ওয়াল পেপার

দেয়াল সুন্দর করতে নিত্যনতুন রং করার বদলে আজকাল অনেকেই ওয়াল পেপার লাগান। তবে প্রচলিত স্থানে না বসিয়ে ওয়াল পেপারগুলো লাগাতে পারেন তুলনামূলক সাদামাটা স্থানে। ওয়াল পেপারের গুণে সাদামাটা দেয়াল আলমারিও হয়ে উঠতে পারে ঝকঝকে।

বইপত্র

যারা বই পড়তে ভালবাসেন তারা বইগুলোকে সুন্দর করে সাজালেই বসার ঘর সুন্দর হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে ছোট ছোট বইয়ের তাক পাওয়া যায় যা প্রথাগত বইয়ের আলমারির চেয়ে আলাদা। পরিচ্ছন্ন রাখতে পারলে এই ছোট ছোট তাকগুলোও দারুন আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

পুনর্ব্যবহার

নতুন বছরে নতুনভাবে ঘর গোছানোর একটা দিক পুরাতন জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলাও। কিন্তু একটু সৃজনশীল হলেই পুরনো জিনিসপত্র সাজিয়ে নেয়া যেতে পারে নতুন রূপে। পুরনো কাচের বোতল, খবরের কাগজও সৃজনশীলতার গুণে হয়ে উঠতে পারে চমকপ্রদ ঘর সাজানোর জিনিস।

গাছ

ছোট পাতাবাহার থেকে ক্যাকটাস, অনেকেই এখন ঘর সাজাতে ছোট ছোট গাছ ঘরে রাখেন। শুধু অন্দরসজ্জাই নয়, সামগ্রিক ইতিবাচক প্রভাব পড়ে ঘরে গাছ থাকলে।

ধ্রুপদী সাজ

যারা স্বাদ বদল করতে ভালোবাসেন এবং অর্থনৈতিক ভাবে কোনো প্রতিবন্ধকতা নেই তারা চাইলে একটু পুরাতন সাজে সাজাতে পারেন ঘর। বিভিন্ন ধরনের নিলাম থেকে কেনা ধ্রুপদী ঘরানার আয়না, চায়ের টেবিল বা আরাম কেদারা সম্পূর্ণভাবে বদলে দিতে পারে ঘরের চেহারা। মনে রাখবেন এই ক্ষেত্রে দারুণ কাজে আসতে পারে মানানসই হলদে আলো।