ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন শীতের শুষ্ক কাশি

শীত (Winter) আসা মাত্রই অনেকে শুষ্ক কাশির (Dry Cough) সমস্যায় পড়েন। মুশকিল হল, খুব সহজে এই সমস্যা পিছু ছাড়ে না। তবে এখন আর চিন্তা নেই। এই কয়েকটি ঘরোয়া (Home Remedy) উপায়েই হয়ে যাবে শুষ্ক কাশির সমাধান।

হাইলাইটস

শুষ্ক কাশিতে থাকে না কফ।

কেবল কাশি হয়ে যায়।

খুকখুক করে মানুষ কাশতে থাকেন।

এই সময় জীবনযাপন ডেস্ক:

শীত (Winter) পড়ে গিয়েছে। গায়ে উঠেছে গরম কাপড়। তবে দুপুরে কিছুটা গরম থাকছে। তখন গরম পোশাকের প্রয়োজন হচ্ছে না। এমন আবহাওয়া নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার জন্য একেবারেই আদর্শ। সেক্ষেত্রে শীতের এই শুরুর সময়টাতে খুসখুসে কাশিতে (Dry Cough) আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই। ঘর পেরিয়ে বাসে, ট্রেনে হামেশাই শোনা যাচ্ছে এমন কাশির শব্দ।

বিশেষজ্ঞদের কথায়, শুষ্ক কাশিতে থাকে না কফ। এক্ষেত্রে কেবল কাশি হয়ে যায়। খুকখুক করে মানুষ কাশতে থাকেন। সবথেকে সমস্যার বিষয় হল, এই সমস্যা চলতে থাকে অবিরাম। একবার শুরু হলে থামতেই চায় না। চলতেই থাকে। এভাবে ক্রমাগত কাশতে থাকলে গলার মধ্যে ব্যথা হয়। অনেকের গলা চিরে পর্যন্ত যেতে পারে।

শুষ্ক কাশির কারণ

নানান কারণে হতে পারে শুষ্ক কাশি। তবে এক্ষেত্রে বেশিরভাগ সময়ই দায়ী থাকে অ্যালার্জি (Allergy)। শীতের শুরুর সময়টাতে বাতাসের অশুদ্ধি ডেকে আনে এই রোগ। এছাড়া নানা ধরনের ভাইরাসের (Virus) আক্রমণ থেকেও হতে পারে এই ধরনের কাশি। ছোট থেকে বড় যে কোনও বয়সের মানুষই এই সমস্যায় আক্রান্ত হতে পারেন।

তবে মুশকিল কোথায় জানেন, বেশিরভাগ মানুষই খুসখুসে কাশি হলেও তেমন পাত্তা দেন না। যদিও প্রাথমিক অবস্থায় সমস্যার সঙ্গে পাঙ্গা নিলে পরিস্থিতি জটিল দিকে এগয় না।

ঘরোয়া সমাধান

খুসখুসে কাশির ঘরোয়া সমাধানে হতে পারে এই পদ্ধতিতে-

আদা, নুন- আদার মধ্যে থাকে ভালো পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কাশির সমস্যা করতে পারে দূর। এক্ষেত্রে প্রথমে আদা ছোটছোট আকারে কেটে নিন। তারপর আদায় মেশান সামান্য নুন। ভালো করে মেশানোর পর এভাবে পাঁচ মিনিট রেখে দিন। তারপর মুখে এই মিশ্রণ মিনিট পাঁচেকের জন্য রাখুন। ৫ মিনিট হয়ে গেলে মুখ ধুয়ে নিন। দেখবেন সমস্যা কমেছে।

মধু-

মধুর মধ্যে রয়েছে অসংখ্য ভালো গুণ। মধুতে থাকা উপকারী উপাদান পারে কাশির সমস্যা কমাতে। এরমধ্যে অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রতিদিন একচামচ মধু গরম দুধে মিশিয়ে খেতে পারেন। এছাড়া চাইলে শুধু একচামচ মধুও খাওয়া যায়।

কালো মরিচ-

যে কোনও ধরনের কাশির সমস্যায় কালো মরিচ হতে পারে আপনার অন্যতম হাতিয়ার। এক্ষেত্রে ৪-৫টি কালো মরিচ বেটে নিয়ে খেতে পারেন। কমবে কাশির দমক।

পুদিনাপাতা-

খুসখুসে কাশির বিরুদ্ধে আপনার অন্যতম অস্ত্র হতে পারে পুদিনা পাতা। তাই আপনি অবশ্যই দিনে ২-৩টি পুদিনাপাতা খান।

তবে ডায়াবিটিস ও প্রেশারের মতো অসুখ থাকলে এভাবে নুন, মধু খাওয়া চলবে না। তখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। আর ১ থেকে ২ দিনের বেশি সমস্যা থাকলে আর ঝুঁকি নেবেন না। কারণ সময়টা করোনার। অবশ্যই কাশি হলে পরুন মাস্ক। সতর্ক থাকুন।