ছোট্ট শিশুর কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার সহজ ২টি উপায়

কোষ্ঠকাঠিন্য মানুষের প্রথম ও শেষ বয়সে বেশি হয়। প্রথম বয়সে হয় পেটের পেশির জোর কম থাকে বলে এবং শেষ বয়সে পেটের পেশী জোর কমে যায় বলে। সাধারণত ছোট বয়সে চিকিৎসায় কোষ্ঠকাঠিন্য সেরে গেলে তা বড় বয়স পর্যন্ত থাকে না। আবার বৃদ্ধ বয়সে হতে পারে। আসুন জেনে নেই, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করার ২টি উপায়…

১. বাচ্চাদের বেশি করে আঁশযুক্ত খাবার অর্থাৎ শাকসবজি বেশি খাওয়ান। সবজির মধ্যে ঢেড়শ, যে কোন শাক, ডাটা, গাজর, পটল, বেগুন, শিম, কুমড়ো লাউ ইত্যাদি অবশ্যই খাওয়ান।

ফলের মধ্যে বেল, পেয়ারা, কালোজাম, কলা, অল্প পরিমাণে পাকা আম খাওয়াতে পারেন। মটর, ছোলার ডালে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার রয়েছে।

শিশু এখন সবজি রোজ রোজ খেতে চায় না চাইলে পুষ্টিমান বজায় রেখে ভিন্ন স্বাদের রান্না করে খাওয়ান। যদি বাচ্চা একেবারে খেতে না চায় তাহলে ডায়েটিশিয়ানের পরামর্শ নিন।

পাশাপাশি ঘড়ি ধরে বারবার পানি খাওয়াতে হবে। বেশি পানি খেতে না চাইলে শরবত, ফ্রেশ ফলের রস কিংবা সবজির স্যুপ করে খাওয়ান। তবে ফলের রস হয়েছে গোটা খাওয়া বেশি উপকারী।

বাজার চলতি হেলথ ড্রিঙ্ক যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলুন একই সঙ্গে বাচ্চাকে দুধ খাওয়ানো।

২. সন্তানের যাতে রোজ মলত্যাগ করার অভ্যাস তৈরি হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। বাচ্চাকে বুঝিয়ে প্রাথমিক অবস্থাতেই গুরুত্ব দিয়ে সতর্ক হতে হবে।

আজকাল বাচ্চারা অল্প বয়সে প্লে স্কুলে ভর্তি হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে যদি সকালে স্কুলে যাওয়ার তাড়ায় বাচ্চার অভ্যাস তৈরি না হয় তাহলে স্কুল থেকে ফিরে অর্থাৎ বিকেলে অভ্যাস তৈরি করুন।