বাড়ির কিশোরী মেয়ের ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কম হলে দেখা দিতে পারে জটিলতা, দেখুন বিস্তারিত

ওজন স্বাভাবিকের চাইতে কম হওয়াটা শরীরের জন্য ভাল নয়। এটি বর্তমানে এবং ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যের জন্য একটি দুঃসংবাদ। এর ফলাফলগুলোর মধ্যে রয়েছে-

শক্তিহীন হয়ে পড়া: ওজন কম হলে আপনি সবসময় ক্লান্ত বোধ করবেন। পরীক্ষার পড়া রিভাইজ দিতে গেলে, খেলতে গেলে বা সঙ্গীদের সাথে বেড়াতে গেলে খুব সমস্যা হবে ।

পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেয়া: ওজন কম হলে সম্ভবত আপনার শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টির অভাব রয়েছে। অল্প বয়সী মেয়েদের জন্য ক্যালসিয়াম বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, কারন এটি মজবুত ও সুস্থ হাড় গঠনে সহায়তা করে। আপনি যথেষ্ট পরিমাণে ক্যালসিয়াম না পেলে ভবিষ্যতে আপনার অস্টিওপোরসিস (একধরনের হাড়ের অসুখ) হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। সুস্বাস্থ্যের জন্য আয়রনও জরুরী। আপানার মাসিক শুরু হলে ঋতুস্রাবের সাথে অনেক আয়রন শরীর থেকে বের হয়ে যাবে। অন্যান্য ধরনের পুষ্টির ঘাটতির কারনে আপানার ত্বক ও চুল স্বাস্থ্যহীন হয়ে পড়তে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে যাওয়া: ওজন কম হলে আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পূর্ণ কাজ করে না, তাই সর্দি-কাশি, জ্বর বা কোন ধরনের সংক্রমণে আপনি সহজেই আক্রান্ত হয়ে পড়েন।

মাসিক দেরিতে হওয়া বা বিঘ্নিত হওয়া: যদি আপনার মাসিক শুরু না হয়ে থাকে তাহলে তা ওজন কম হওয়ার কারনে হচ্ছে না। আবার আপনার মাসিক শুরু হলেও ওজন কম হওয়ার কারনে তা বন্ধ হয়ে থাকতে পারে। ওজন কম হওয়ার কারনে তা থেকে আপনার হরমোনের সমস্যা তৈরি হলে এমনটি হতে পারে।

ভবিষ্যতে বাচ্চা নিতে গেলে সমস্যা হওয়া: ওজন কম হওয়ার কারনে আপনার মাসিক বন্ধ হয়ে গেলে পরে বাচ্চা নেয়ার সময় আপনার সমস্যা হতে পারে।