বিনোদের মনে মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত ছিল রেখা, স্বামীর এমনই গোপনীয়তা ফাঁস স্ত্রী কিরণ, দেখুন গ্যালারী

প্রেম বারেবারে ফিরে এসেছে তার জীবনে। প্রেম ভাঙা থেকে বিবাহিত পুরুষের সম্পর্ক একের পর এক বিতর্কে তিনি পুড়েছেন বিরহের তাপে। বলিউডের অমর প্রেমের জুটি বলতে গেলেই প্রথমেই উঠে আসে রেখা এবং অমিতাভের নাম। কিন্তু অমিতাভকে তার আর পাওয়া হল না, শেষমেষ বিনোদ মেহরার সঙ্গে ঘর বেঁধে শ্বশুরবাড়ির ঘর করার স্বপ্ন দেখলেও, তার ভাগ্যে জুটেছিল অশ্রাব্য গালিগালাজ থেকে,গায়ে হাত এবং চপ্পলের কয়েক ঘা। কিন্তু এই বিনোদের মনেই মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত থেকে গিয়েছিলেন রেখা। সম্প্রতি বিনোদের স্ত্রী কিরণ মেহরা সাক্ষাৎকারে স্বামী বিনোদ ও রেখার প্রেমের কথা প্রকাশ করেছেন।

সত্তর থেকে নব্বই-অসংখ্য নায়কের বিপরীতে অভিনয় করে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন রেখা। সত্তর থেকে নব্বই-অসংখ্য নায়কের বিপরীতে অভিনয় করে একাধিক সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন রেখা। বলিউডের অমর প্রেমের জুটি বলতে গেলেই প্রথমেই উঠে আসে রেখা এবং অমিতাভের নাম। রিল থেকে রিয়েল বারেবারে পেজ থ্রি-র শীর্ষে উঠে এসেছেন এই জুটি। সত্তরের দশক থেকে আজও তাদের রোম্যান্টিক জুঁটি দশর্কমনে হিট।

রেখা মানেই সাড়া জাগানো টানটান উত্তেজনা। সৌন্দর্য, গ্ল্যামার, শরীরী হিল্লোল, পর্দা কাঁপানো আবেদনময়ী চাহনিতে কোটি কোটি পুরুষের হৃদয় জয় করে রাতের ঘুম উড়িয়েছেন বলিউডের এভারগ্রীন অভিনেত্রী রেখা। মোহময়ী এই নায়িকার রিল লাইফের প্রেমিকাস্বত্ত্বা ছিল রিয়েল লাইফেও।

কিন্তু যতবারই প্রেমে পড়েছেন ততবারই মন ভেঙেছে, অমিতাভের বিরহের তাপে তখন পুড়ছেন রেখা। সেই সময় দেবদূত হয়ে অভিনেত্রীর জীবনে এসেছিলেন বিনোদ মেহরা।

একাধিক বিবাহিত পুরুষও এসেছে তার জীবনে। কোনও দিকে না তাকিয়ে আবারও প্রেমে পড়লেন বিনোদের। তড়িঘড়ি প্রেমিককে নিয়ে কালিঘাটে গিয়ে গোপনে বিয়ে সেরে নিলেন রেখা। যাতে অমিতাভের মতোন বিনোদ আর তাকে ফাকি দিতে না পারে।

কিন্তু বিয়ে করে বিনোদের ফ্ল্যাটে পৌঁছতেই ঘটল বিপত্তি। ঘরে পৌঁছে বেল বাছাতেই শাশুড়ির মুখোমুখি পড়লেন রেখা। শাশুড়ি পা ছুয়ে প্রণাম করতে গিয়েই ধাক্কা খেলেন প্রথমে, তারপরেই শুরু হল অকথ্য গালিগালাজ।

গালিগালাজ দিয়েই ক্ষান্ত হননি বিনোদের মা। সঙ্গে সঙ্গে গায়ে হাতও উঠেছিল। তারপরও রেখা যাচ্ছে না দেখে পায়ের জুতো খুলে ঘা বসিয়েছিল রেখাকে।

রেখার প্রতি মায়ের এই আচরণ দেখেও নিঃশ্চুপ ছিলেন বিনোদ মেহরা। এমনকী বিনোদ তখনও মাকেও একটা কথাও বলেনি। তখনই হুশ ফিরেছিল রেখা। ‘ঘর’ করার স্বপ্ন কোনওদিনই যে তার পূরণ হবে না তখনই সেটা ভেবে নিয়েছিলেন।

মেহরা হাউজ ছেড়ে রেখা যখন লিফটের দিকে এগোচ্ছিল, তখন চারপাশে জমায়েত হয়েছে বহু মানুষ। রূপোলি পর্দার আনন্দটা যেন বাস্তবে সকলে দেখতে ব্যস্ত। রেখার জীবনের ঘর না করার যন্ত্রনার কথা লেখা রয়েছে ইয়াসির উসমানের লেখা রেখাঃ দ্য আনটোল্ড স্টোরিতে ।

যদিও পরে সিমি গারেওয়াল তার শো-তে এই নিয়ে রেখাকে প্রশ্ন করলে তা এড়িয়ে যান রেখা। চোখের জল আটকে রেখা উত্তর দিয়েছিলেন, ‘সব রটনা, ওসব বিশ্বাস করো না, বিনোদ খুব ভাল বন্ধু ছিলেন।’

বিনোদের স্ত্রী কিরণ মেহরা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, বিনোদ মেহরা তার থেকে প্রায় ২০ বছরের বড় ছিল। আমি বিনোদকে বিয়ে করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বাবা এই বিয়েতে রাজি ছিল না। এমনকী এই বিয়ে যাতে না হয় তার জন্যও সবকিছু করেছিলেন বাবা। কিন্তু শেষমেষ ১৯৮৮ সালে বিয়ে হয়।