ছোট্ট সোনামণিকে খুব সহজে ঘুম পাড়ানোর কিছু টিপস জেনে নিন

বেশিরভাগ অভিভাবকের অভিযোগ তার সন্তানকে ঘুম পাড়ানো খুব কঠিন কাজ। সে নাকি রাতে মোটেও ঘুমাতে চায় না। এর প্রভাব পড়ে বাবা-মায়ের উপরেও। আসুন জেনে নেই শিশুকে ঘুমানোর সহজ কিছু উপায়-

– শিশুর ঘুমানোর একটি নির্দিষ্ট সময় ঠিক করুন প্রথমেই। নিজেদের যতই কাজ থাক শিশুর ঘুমের সেইসময়ের হেরফের করবেন না। তাতে শিশুর বায়োলজিক্যাল ক্লক ঠিক থাকে। কিছুদিন অভ্যাস করান এবং ওই নির্দিষ্ট সময় মেনে তার ঘুম আসবে।

– মনোবিদদের মতে, অনেক অভিভাবকই শিশুকে ঘুম এর উপযুক্ত পরিবেশ দেন না। ঘরে চড়া আলো বা টিভি, সাউন্ড সিস্টেম এর আওয়াজ তাদের ঘুমের দফারফা করে। শিশু ও না ঘুমিয়ে সেইসবে মন দিতে শুরু করে।

– সন্তানকে ঘুম পাড়ানোর আগে তার ঘুমের পরিবেশ আনুন ঘরে।

– রাতে খাওয়াদাওয়ার পর সন্তানকে ঘুম পাড়াতে গান বা গল্পের আশ্রয় নিন। গানের সুর, গল্পের গতি এসব শিশুর মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস ও থ্যালামাস কে প্রভাবিত করে। তাকে শান্ত করে গান বা গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ায় অনেক শিশুর অভ্যাস।

– সন্তানকে ঘুম পাড়াতে গিয়ে আপনি মোবাইল ঘাটতে শুরু করেন কি? তাহলে সে অভ্যাসে রাশ টানুন আজ‌ই। শিশুকে ঘুমানোর আগে মোবাইলে হাত দিতে দেবেন না। অনেক বাবা-মা সন্তানকে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মোবাইলে গেম খেলতে দেন। এটা তার মস্তিষ্কের স্নায়ু দিতে হয় এবং ঘুম বাধা পায়।

– শিশুকে তার নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম পাড়াতে হবে, সঙ্গে ঘুমানোর সময় যদি তার হাতের কাছে প্রিয় কোন খেলনা বা বস্তু দেন তার সংস্পর্শে এসে শিশু ঘুমায় অনেক তাড়াতাড়ি।

মনোবিদদের মতে শিশু ঘুমানোর সময় পছন্দের বস্তু পেলে তার গন্ধে স্পর্শে শিশুর মস্তিষ্কের চাপ মুক্তির হরমোন ক্ষরণ করে এবং শিশু দ্রুত ঘুমায়।

– সন্তান একটু বড় হলে তার সারাদিনের রুটিন এর কিছু সময় রাখুন শরীরচর্চার জন্য। ডায়েট মেনে খাওয়াও ও শরীরচর্চার মধ্যে থাকলে শরীরের সমস্যা দূরে থাকে, মানসিক চাপ কমে ও শিশু পর্যাপ্ত ঘুমায়।

সাঁতার, জিমনাস্টিক বা দৌড়াদৌড়ি করে খেলা যায় এমন কিছু তার রুটিনে থাকলে এসে অনেক সুস্থ থাকে।