কর্মব্যস্ত নারীদের জন্য সহজ ৭টি বিউটি টিপস শিখে নিন

ঘর আর অফিসের কাজ সামলে ত্বকের যত্ন নেওয়ার সময়ই মেলে না অনেকের। ফলে ত্বক হয়ে পড়ে নির্জীব। তারা কিছু সহজ পরামর্শ অনুসরণ করতে পারেন। এতে ত্বক চুল থাকবে সুন্দর ও উজ্জ্বল।

বোল্ডস্কাই প্রতিবেদনে এমন কিছু পরামর্শ দেয়া হয়েছে, যা আপনার রূপচর্চায় কার্যকর হতে পারে। আসুন দেখে নেই…

১. সিটিএম অনুসরণ করা: আপনি যদি প্রতিদিন ক্লিনজ, টোন ও ময়েশ্চারাইজার এই তিনটি পদ্ধতি অনুসরণ করেন, তবে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বক পাবেন। কিন্তু আপনাকে নিশ্চিত হতে হবে আপনার ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধন কিনছেন কি না।

২. কনসিলার ব্যবহার করুন: ডার্ক সার্কেল লুকাতে কনসিলার ব্যবহার করুন। অফিসের জুম মিটিং, মধ্যরাতে হুট করে বাচ্চার কান্না, পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব ইত্যাদি নানা কারণে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। তাই চোখের নিচের ডার্ক সার্কেল ও লালচে ভাব দূর করতে আপনি কনসিলার ব্যবহার করতে পারেন।

৩. ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করুন: অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে নিয়মিত চুল ধোয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনা। কিন্তু আপনাকে বাইরে যেতেই হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সেরা অপশন হলো ড্রাই শ্যাম্পু ব্যবহার করা। ড্রাই শ্যাম্পু কেনার আগে যাচাই করে নিন, সেটি আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী উপযোগী কি না।

৪. হাতে লেবু রাখুন: লেবুর রস ত্বককে উজ্জ্বল করে, ব্রণ দূর করে, কালো দাগ দূর করতে সাহায্য করে। সময় বের করে আপনি লেবু ত্বকে ঘষতে পারেন অথবা লেবুর রস লাগাতে পারেন। লেবু ছাড়াও আপনি অ্যালোভেরা ব্যবহার করতে পারেন, বিশেষ করে গরমের সময়।

৫. ব্রাইট লিপস্টিক: লিপস্টিকের ব্রাইট শেড আপনার লুক দ্রুত বদলে দেবে। একসঙ্গে বাড়াবে আপনার আত্মবিশ্বাস। যখন কোন অফিশিয়াল মিটিং-এ যাবেন অথবা পার্টিতে যাবেন, ব্রাইট লিপস্টিক দিন।

৬. নারকেল তেল: আপনি নিশ্চয়ই জানেন নারকেল তেলের গুণ সম্পর্কে। নারিকেল তেল ত্বককে শুধু আর্দ্রই করে না, স্বাস্থ্যকরও করে। ত্বক ও ঠোঁটের জন্য নারকেল তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে। রাতে ঘুমানোর আগে আপনি ব্যবহার করতে পারেন, জাদুর মতো কাজ করবে।

৭. হেয়ারকাট: আপনার চুল যদি লম্বা হয়ে থাকে এবং যত্ন করার সময় না পান, তবে এমন হেয়ারকাট বেছে নিন, যার যত্ন নিতে আপনার সময় বাঁচবে। একসঙ্গে স্টাইলও হবে। আপনি ছোট ও স্টাইলিশ হেয়ার কাট দিতে পারেন।