শরীরের যেকোন জায়গায় ফোঁড়া হলেই কি তা কাটতে হবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য

ফোঁড়া হলেই কাটা-ছেঁড়ার ভয়? এই ভয়ে অনেকে বাড়িতে নানাভাবে ফোঁড়ার চিকিৎসা করতে চেষ্টা করেন, যা একেবারেই ঠিক নয়। ফোঁড়া হলে সাধারণত অস্ত্রোপচার করাতে হয়, তবে সব ক্ষেত্রে তা না-ও লাগতে পারে।

যাঁদের অস্ত্রোপচার আসলেই দরকার, তাঁরা সঠিক সময়ে তা করিয়ে নিলে সহজেই সুস্থ হয়ে ওঠেন। ফোঁড়ার অস্ত্রোপচার খুব বেশি জটিল নয়।

নানা কারণে ফোঁড়া হতে পারে। কোনো কিছুর খোঁচা বা আঁচড় লাগলে ওই স্থানে জীবাণুর সংক্রমণের মাধ্যমে ফোঁড়া হতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকার কারণে ফোঁড়া হওয়ার আশঙ্কা বেশি। ডায়াবেটিক রোগীদের ফোঁড়া বেশি হয়।

ফোঁড়া হলে নিজে নিজে না গালিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। তিনিই অস্ত্রোপচারের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত দেবেন। প্রয়োজন হলে চিকিৎসকই আপনাকে অস্ত্রোপচারের বদলে অ্যান্টিবায়োটিক-জাতীয় ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিতে পারেন। ব্যথানাশক সেবন করে ও হালকা গরম সেঁক দিয়ে সাময়িক উপকার পেলেও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

সঠিক সময়ে ফোঁড়ার চিকিৎসা নেওয়া না হলে পরবর্তী সময়ে সেখান থেকে ক্রমাগত পুঁজ বের হতে পারে। কখনো ওষুধ খেলে ফোঁড়ার স্থানে একধরনের গোটা হয়, যার নাম অ্যান্টিবায়োমা। শেষ পর্যন্ত গোটা বা চাকাটিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কেটে বের করতে হয়।

অনেকে মনে করেন, ফোঁড়া গলিয়ে দিলেই ধীরে ধীরে সব যন্ত্রণার উপশম হবে। এটি ঠিক নয়। কখনোই ফোঁড়া গালানো উচিত নয়। এ ছাড়া রসুন চেপে ধরা বা হাত দিয়ে চাপ প্রয়োগ করে ফোঁড়ার মুখ থেকে পুঁজ বের করাও ঠিক নয়।