জিভের পরিবর্তিত রং-ই বলে দেবে আপনার স্বাস্থ্যের অবস্থা, দেখুন বিস্তারিত

অসুস্থ শরীরের প্রভাব পড়ে মানুষের জিভে। সুস্থ জিভের রং গোলাপি হয়। কিন্তু অনেক সময়েই দেখা যায় যে জিভে নীলচে, বা বাদামি, বা কালচে দাগ। শরীরের বিভিন্ন অসুস্থতার কারণেই এমনটা হয় বলে জানাচ্ছে চিকিৎসা বিজ্ঞান। ছবি: শাটারস্টক

সাদা— জিভের রং যদি সাদা হয়ে যায়, সে ক্ষেত্রে বুঝতে হবে যে শরীর ডিহাইড্রেটেড হয়ে গিয়েছে। কিন্তু জিভের উপরে যদি সাদাটে আস্তরণ দেখেন, তা হলে বুঝতে হবে যে এটি ‘লিউকোপ্ল্যাকিয়া’র প্রভাব। অর্থাৎ, স্মোকিং-এর জন্যই হয়েছে এই আস্তরণ। ছবি: শাটারস্টক

হালকা গোলাপি— জিভের রং যদি ফ্যাকাশে গোলাপি হয়, তা হলে বুঝতে হবে শরীরে নিউট্রিশন ডেফিসিয়েন্সি রয়েছে। ছবি: শাটারস্টক

হলুদ— পাচনতন্ত্রে সমস্যা থাকলে জিভের রং হলদে হয়ে যায়। লিভারের সমস্যা থাকলে জিভের উপরে হলুদ আস্তরণ দেখা দেয়। ছবি: শাটারস্টক

ব্রাউন— আপনি কি অত্যাধিক কফি খান? তা হলে আপনার জিভের রং ব্রাউন হলে অশ্চর্যের কিছু নেই। বেশি পরিমাণে ধূমপান করলেও জিভে এমন বাদামি আস্তরণ দেখা যায়। ছবি: শাটারস্টক

কালো— আপনি কি চেন-স্মোকার? তা হলে জিভ কালো হয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক। জিভের উপরে ব্যাক্টেরিয়া জন্মানোর ফলেই এমন হয়। ছবি: শাটারস্টক

লাল— ভিটামিন বি-১২-এর ঘাটতি হলে জিভের রং অস্বাভাবিক রকমের লাল হয়ে যায়। ছবি: শাটারস্টক

নীল— জিভের রং নীল বা বেগুনি হয়ে যাওয়ার অর্থ, হার্টের কোনও সমস্যা। রক্তে অক্সিজেন কম হলেও এমনটা হয়। ছবি: শাটারস্টক

প্রতি দিন ভাল করে দাঁত মাজুন, সঙ্গে পরিষ্কার করুন জিভও। এর ফলে জিভে কোনও রকম ব্যাক্টেরিয়া বাসা বাঁধতে পারবে না।

ছবি: শাটারস্টক।