নতুন জুতা পরার জ্বালা ও ব্যথা ভাব থেকে মুক্তির কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায়

নতুন জুতা পরার খানিকক্ষণের মধ্যেই পাযয়ে অস্বস্তিকর খচখচানি, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেটা বেড়ে ব্যথায় পরিণত হওয়া আর দিনের শেষে বেশ বড়সড় একখানি ফোসকার মুখোমুখি কমবেশি আমরা সবাই হয়েছি কখনো না কখনো। কিন্তু আগামী দিনে যাতে আর তা না হয় সেই চেষ্টা করতে হবে তো। তাই হাতের কাছে রাখুন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপাদান।

নারকেল তেল:

নারকেল তেল ত্বক ময়েশ্চারাইজ করে এবং জ্বালা ভাব কমাতেও দারুণ কার্যকর। নতুন জুতা যদি আপনি খানিকটা নারকেল তেল লাগিয়ে রাখতে পারেন তাহলে জুতার চামড়া নরম হয়ে যাবে। যাদের বাড়ি বা আশেপাশে কোথাও নারকেল গাছ আছে তারা একটি সবুজ নারকেল পাতা জোগাড় করুন পুরোটা না হলেঈ দু একটা সবুজ স্ট্রিপ হলেই হবে। কাঁচা পাতাটা পুড়িয়ে নিন গ্যাসে।

এবার ছাইটা গুঁড়ো করে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে একটা পরিষ্কার কৌটোয় ভরে ফ্রিজে রেখে দিন। এই মিশ্রণ লাগালে পায়ের কড়া ও পড়ে না, ফোসকাও পড়ে না।

মধু:

মধুতে জ্বালাভাব কমে, তাড়াতাড়ি ক্ষত সারে, দাগও মিলিয়ে যায় দ্রুত। মধুর সঙ্গে তিলের তেল মিশিয়ে লাগাতে পারেন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে নেবেন ঘরের তাপমাত্রায় থাকা পানিতে। তবে ত্বক খুবই স্পর্শ কাতর হলে মধুতে রিঅ্যাকশন হতে পারে তাই সতর্ক থাকবে।

চালের গুঁড়ো:

ফোসকা শুকিয়ে যাওয়ার পরও অনেকদিন দাগ থেকে যায় তার মূল কারণ মৃত কোষ। যথাযথ এক্সফলিয়েশন হলে ফোসকার সাথে সাথে দাগও মিলিয়ে যায়।

অ্যালোভেরা:

ফোসকা পড়ার পর যে জ্বালা ও ব্যথা ভাব থাকে, সেটা কমাতে দারুণ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে অ্যালোভেরা জেল।

পেট্রোলিয়াম জেলি:

নতুন জুতা পরার আগের দিন সারারাত তার ভিতরে পেট্রোলিয়াম জেলি লাগিয়ে রাখুন। নরম হয়ে যাবে এবং ফোসকা পড়ার আশঙ্কা কমবে। আর যদি একান্ত পরেই যায় তাহলেও নিয়মিত পেট্রোলিয়াম জেলি লাগাতে থাকুন। পায়ের ত্বক আর্দ্র থাকলে ফোসকা সারবে তাড়াতাড়ি।