যখন তখন বুকজ্বলা কমাতে মেনে চলুন এই ১০ পরামর্শ

চিকিৎসাবিজ্ঞানে বুকজ্বলার নাম গ্যাস্ট্রো ইসোফেজিয়াল রিফ্লেক্স। মানে পাকস্থলীর অম্লজাতীয় পদার্থ হঠাৎ খানিকটা খাদ্যনালিতে ঠেলে উঠতে চাইলে বুকজ্বলার শুরু। খুব সাধারণ কিছু নিয়মকানুন মেনে চললে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

 একসঙ্গে অনেক বেশি পরিমাণে খেয়ে ফেলবেন না। অল্প পরিমাণে বারবার খান। একেবারে ভরপেটে পাকস্থলী খাদ্যনালির স্ফিংটার বা দরজার ওপর চাপ ফেলে। তাই বুকজ্বলা বেড়ে যায়।

 খেতে হবে ধীরে ধীরে, সময় নিয়ে। তাড়াহুড়ো করে খেলে সেই একই অবস্থা, স্ফিংটারের ওপর চাপ পড়ে।

 খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। কিছুক্ষণ বসে বই পড়ুন বা টিভি দেখুন বা হালকা হাঁটাহাঁটি করুন।

 রাতে খাওয়া আর ঘুমের মাঝে অন্তত দুই ঘণ্টার বিরতি থাকা চাই। এতে করে খাবার পাকস্থলী থেকে নিচে নেমে যাওয়ার যথেষ্ট সুযোগ পাবে।

 খাওয়ার পরপরই ভারী ব্যায়াম করবেন না। খাওয়ার অন্তত কয়েক ঘণ্টা পর ব্যায়াম করা যাবে।

 যাঁদের রাতে বুক জ্বলে, তাঁরা মাথার দিকটা একটু উঁচু করে শোবেন।

 কার্বনযুক্ত পানীয় (যেমন কোলা) এড়িয়ে চলুন। এগুলো বুকজ্বলা বাড়ায়। কিছু খাবারও আছে, যা সমস্যা বাড়াতে পারে। সেগুলো চিহ্নিত করুন। যেমন চকলেট, দুধ, কফি, ঝাল ও মসলাযুক্ত খাবার, চর্বিযুক্ত খাবার, রসুন, টমেটো, ফুলকপি ইত্যাদি। কোনটা আপনাকে বর্জন করতে হবে, নিজেই বুঝতে পারবেন।

 চিনিমুক্ত চুইংগাম চিবুলে আরাম পাবেন। এটা লালা নিঃসরণ বাড়ায় ও অ্যাসিডকে নিরপেক্ষ করে।

 কিছু ওষুধ খাদ্যনালির স্ফিংটারকে শিথিল করে দেয়। ওষুধগুলো জ্বালা-পোড়ার জন্য দায়ী কি না খেয়াল করুন। চিকিৎসককে সমস্যার কথা অবহিত করুন।

 সব কথার শেষ কথা, ওজন কমান। সঠিক ওজন বজায় রাখুন। মেদভুঁড়ির কারণে এমনটা বেশি হয়।