শিশুদের কান্নার কারণ বোঝার জন্য এই টিপসগুলো দারুণ কাজে আসে, পড়ুন বিস্তারিত

শিশুরা কান্না করে তা আমরা সবাই জানি। তবে কোনো কারণ ছাড়া যে শিশুরা কান্না করে না, তাও আমাদের অজানা নয়। শুধু যে শিশু আঘাত পেলে কিংবা ক্ষুধার্ত হলেই কাঁদে তা কিন্তু নয়, বিভিন্ন কারণেই তারা কাঁদতে পারে। অভিভাবকরা অনেক সময়ই শিশুর কান্নার সঠিক কারণটি বুঝতে পারেন না। বিশেষ করে নতুন বাবা-মায়েদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।

শিশুরা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি বা কান্না করে তাদের শারীরিক অনেক সমস্যার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। সাধারণত শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা এবং বিরক্তবোধ করলেই শিশুরা কেঁদে ওঠে। অতএব এসময় তাকে থামানোর জন্য অভিভাবক অনেক চেষ্টা চালালেও সে যখন থামবে না, তখনই বুঝতে হবে সে শারীরিকভাবে কোনো কষ্ট পাচ্ছে। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক শিশুর কান্নার কারণ বোঝার কয়েকটি কৌশল-

>> শারীরিক বিভিন্ন সমস্যা হলে শিশু ঘুমাতে চায় না এবং সবসময় কান্নাকাটি করে।

>> অনেক সময় শিশু শুয়ে থাকলে, কারো কোলে ওঠার জন্যও কান্না করতে পারে। তাই শিশুকে দীর্ঘসময় শুইয়ে রাখবেন না।

>> ভয় পেলে শিশুরা জোরে ও চিৎকার করে কান্না করে উঠতে পারে। তাই শিশুর আচমকা এমন কান্না শুনলে বিষয়টি খতিয়ে দেখুন।

>> শিশুর অতিরিক্ত কান্নার কারণ হতে পারে তার ক্ষুধা। শিশুদের ঘন ঘন খিদে পায়। তাই শিশু কান্না করলে প্রথমেই তাকে দুধ খাওয়ানোর চেষ্টা করুন।

>> তারপরেও যদি শিশুর কান্না না থামে; তখন তার ডায়পার চেক করুন। অনেক সময় ভেজা ডায়পারের কারণে শিশু কাঁদতে পারে। দীর্ঘ সময় ভেজা ডায়পার পরানো থাকলে শিশুর ব়্যাশ, চুলকানি হতে পারে।

>> পেটে গ্যাস জমলে বা ব্যথা করলে শিশু কান্না করে। সাধারণত খাওয়ানোর পর পেটে গ্যাস হলে ব্যথা হয়, তখন শিশু অস্থির হয়ে ওঠে এবং খুব কান্নাকাটি করে। তাই সেদিকে নজর রাখুন।

>> খাওয়ার পরপরই শিশু কান্না শুরু করলে বুঝতে হবে তার অস্বস্তি হচ্ছে। এজন্য তাকে ঢেকুর তোলানোর চেষ্টা করুন। ঢেকুর তোলানোর জন্য শিশুর পিঠে ধীরে ধীরে চাপড়ান এবং ঘষতে থাকুন।

>> অতিরিক্ত ঠাণ্ডা বা গরমে শিশু কান্না করে। এজন্য তার পরিবেশ ঠিক আছে কি-না খেয়াল রাখুন। আবহাওয়া অনুযায়ী শিশুকে পোশাক পরান।

>> এছাড়া ঘুমানোর আগেও শিশুরা কান্নাকাটি করে। তাই শিশু যদি বারবার চোখ কচলায় কিংবা তার চোখে যদি ঘুম ঘুম ভাব দেখেন; তখন সে কান্না করলেই ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করুন।