আপনার সুস্থ শরীরকে অকেজো করে দিচ্ছে ইউরিক অ্যাসিড, মুক্তি পেতে ডায়েটে রাখুন এই খাবারগুলি

ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে শরীর অকেজো হয়ে পড়েছে। কারণ, শরীরে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলেই গিঁটে গিঁটে ব্যথার মতো একাধিক স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হাঁটু-সহ বিভিন্ন অস্থিসন্ধিতে ইউরিক অ্যাসিড জমা হতে থাকে এবং তা ফুলে গিয়ে ব্যথা বাড়তে থাকে। বিশ্বের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি মানুষ ইউরিক অ্যাসিডের ব্যথায় কষ্ট পাচ্ছেন। বেশ কয়েক বছর আগেও ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে নানা খাবারে নিষেধাজ্ঞা ছিল। কিন্তু এখন নির্দিষ্ট কিছু খাবার ছাড়া, সব খাবারই খেতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইউরিক অ্যাসিড বাড়লে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খেতে হবে। দিনে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খেলে, ইউরিক অ্যাসিড কমে যায়।

যারা প্রচুর পরিমাণে মাছ-মাংস খান, তাদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। মদ্যপান ও কার্বোনেটেড কোলা জাতীয় ঠাণ্ডা পানীয় নিয়মিত খেলেও ইউরিক অ্যাসিড বাড়তে পারে।

স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজন হলেও ইউরিক অ্যাসিডের ঝুঁকি থাকে। এছাড়াও ৩০ থেকে ৫০ বছর বয়সী পুরুষদের মধ্যে ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার ঝুঁকি অনেকটাই বেশি।

প্রতিদিনের ডায়েটে ফ্যাট ফ্রি দুধ রাখুন। এছাড়া পিনাট বাটার, ফল, শাকসবজি বেশি পরিমাণে খান। শস্যদানা, রুটি, আলু খেতে পারেন।

অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, হৃদযন্ত্রের সমস্যা, কিডনির অসুখ থাকলেও ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যেতে পারে।

চায়ের বদলে কফি খাওয়ার অভ্যাস করুনব্ল্যাক কফি খাওয়ার অভ্যাস করুন। প্রতিদিন তিন থেকে চার কাপ কালো কফি খেলে শরীর ভালো থাকে। তবে এতে যাতে কিডনির সমস্যা না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় ভিটামিন সি রাখুন। নিয়মিত লেবু বা ভিটামিন সি-যুক্ত ফল খান। ভিটামিন সি ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে দারুণ কাজ করে।

ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে শারীরিক সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।