সাধারন ১০টি স্বাস্থ্য সমস্যা জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ জেনে নিন

চর্মরোগ

১. দুই বছর ধরে আমার ঘাড়, পিঠ ও বুকের কিছু অংশে ছুলি হয়েছে। এর আগেও দু-তিনবার হয়েছিল। তখন চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শ্যাম্পু ব্যবহার করায় সেরে যায়। কিন্তু আবার ফিরে এসেছে। কী করব? —নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: ছুলি আসলে একধরনের ছত্রাকজনিত ছোঁয়াচে চর্মরোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত কাপড়চোপড় তোয়ালে ও ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের মাধ্যমে ছড়ায়। বর্ষা ও গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত ঘাম, আর্দ্রতার জন্য বা ভেজা থাকলে এর প্রবণতা বাড়ে। একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে নিজে উপস্থিত হয়ে কিংবা অনলাইনে ছবি দেখিয়ে রোগ নির্ণয় করুন এবং ছত্রাকরোধী ওষুধের একটি কোর্স গ্রহণ করুন। সঙ্গে দুই সপ্তাহ কিটাকোনাজল শ্যাম্পু দৈনিক গোসলের আগে আক্রান্ত স্থানে ১৫-২০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলবেন। অন্যের ব্যবহৃত জিনিসপত্র, জামা-কাপড়, তোয়ালে, বালিশ, চাদর ইত্যাদি ব্যবহার করবেন না। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন।

পরামর্শ দিয়েছেন— অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আফজালুল করিম, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, চর্মরোগ বিভাগ, হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

২. আমার বয়স ১৭ বছর। ৫-৬ বছর ধরে আমার মাথায় খুশকি। রোজ শ্যাম্পু দিতে হয়, তারপরও ৩-৪ ঘণ্টা পর আবার আগের মতো হয়ে যায়। চিরুনি দিয়ে কালো কাগজের ওপর আঁচড়ালে কাগজ সাদা হয়ে যায় খুশকিতে। এটা কমাতে কী করা যেতে পারে?- সাজিদুল হক, বরিশাল

আমার বয়স ২২। মাথায় দুই বছর ধরে অনেক খুশকি এবং মাথা ঘেমে গেলে চুলকায়। নখ দিয়ে চুলকানোর সময় ময়লা আসে। চুলকাতে চুলকাতে মাথার বিভিন্ন জায়গাতে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ওই ক্ষতস্থানে কষ বা তেলের মতো পদার্থ বের হয়ে জড়া বা চটা তৈরি হয়। ফলে অনেক চুল পড়ে গেছে। —আবজেল মিয়া, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম।

পরামর্শ: আপনাদের দুজনেরই মাথায় খুশকির সমস্যা। এটি আসলে একধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ। যার কারণে এত চুলকানি হয় ও চুল পড়ে যাচ্ছে। সাধারণ শ্যাম্পুতে যাবে না। কিটোকোনাজল শ্যাম্পু সপ্তাহে দুবার করে ব্যবহার করবেন। চুলকানি কমাতে অ্যান্টি হিস্টামিন ওষুধ খেতে পারেন। মাথা পরিষ্কার রাখবেন ও চিরুনি, বালিশের কভার, তোয়ালে ইত্যাদি নিয়মিত ধুয়ে ফেলবেন। অন্য কারোটা ব্যবহার করবেন না।

পরামর্শ দিয়েছেন— অধ্যাপক মো. আসিফুজ্জামান খান, বিভাগীয় প্রধান, চর্ম বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকা।

বার্ধক্যজনিত

৩. আমার দাদুর বয়স ৬৮। মাঝেমধ্যে ঘুমাতে গিয়ে ছটফট করেন তিনি। হঠাৎ বিছানা থেকে উঠে পড়েন। একবার ছাদে যান তো একবার আমার কাছে চলে আসেন। তারপর আবার ঘুমাতে যান। ডিমলাইট ছাড়া ঘুমাতে পারেন না। দাদুর মাথার অংশে তাপমাত্রা বেশির ভাগ সময়ে গরম থাকে। রাত সাড়ে ১০টার পর বা ঘুমাতে দেরি করলে এ সমস্যাটি হয়। এটি গরমকালে বেশি হয়। কীভাবে রোধ করা যায়? —মাশরাফি সাহাদ, মল্লিকপাড়া, মেহেরপুর।

পরামর্শ: এটি আপনার দাদুর ঘুমের সমস্যা। সাধারণত প্রবীণদের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এ জন্য যেটা কার্যকর, তা হচ্ছে আপনার দাদুকে দিনের বেলা বিছানায় শুয়ে-বসে থাকা বা বিছানায় বসে অন্য কাজ করা থেকে বিরত থাকতে হবে। রাতের বেলা ঘুমের এক ঘণ্টা আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে ঘুমাতে হবে। এই অস্থিরতার পেছনে কোনো শারীরিক কারণ থাকলে (যেমন রক্তে গ্লুকোজ কমে যাওয়া) সেটা নির্ণয় করে চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। রাতে ঘুমের ২ ঘণ্টা আগে থেকে টিভি-মোবাইল ফোন দেখা বন্ধ রাখতে হবে। রাতে খাবারের কমপক্ষে ২ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাবেন। আর এতেও না হলে কেবল বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নির্ধারিত সময়ের জন্য ঘুমের ওষুধ খেতে পারেন।

পরামর্শ দিয়েছেন—ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ, সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।

কিডনি

৪. আমার বয়স ৩৫ বছর। এক সপ্তাহ ধরে আমার কোমরের পেছনে ডান দিকে ব্যথা অনুভব করছি৷ যন্ত্রণা নেই। কিডনির সমস্যার লক্ষণ কি না জানতে চাই৷—নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: আপনার প্রস্রাব করতে সমস্যা হয় কি না বা প্রস্রাবে জ্বালা–যন্ত্রণা হয় কি না তা বলেননি। প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা, কিডনি বা পেটের আলট্রাসনোগ্রাম এবং সেরাম ক্রিয়াটিনিন পরীক্ষা করে স্থানীয় চিকিৎসককে দেখালে বুঝতে পারবেন আপনার ব্যথা কিডনিজনিত কি না। কোমরে ব্যথার বেশির ভাগ রোগীই কিডনি রোগে আক্রান্ত নন, অল্প কিছু কিডনি সমস্যায় কোমরে ব্যথা হতে পারে। মনে রাখবেন কোমরের পেছনে ব্যথা কিডনি সমস্যার প্রধান বা একমাত্র লক্ষণ নয়।

পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. শুভার্থী কর, সহকারী অধ্যাপক, নেফ্রোলজি বিভাগ, সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ।

পরিপাকতন্ত্র

৫. আমার বয়স ২৭ বছর। সমস্যা হলো খাবারে অরুচি, নিয়মমাফিক পায়খানা হয় না, পায়খানার চাপ কম আসে। সকালবেলা কিছু না খেলে চাপ আসে না আর পায়খানা হলেও পরিষ্কারভাবে হয় না। স্বাস্থ্য অনেক ভালো ছিল কিন্তু এখন অনেক শুকিয়ে গেছি। করণীয় কী? —নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: ঠিক কত দিন থেকে সমস্যাটির শুরু, পরিবারে কারও ক্যানসারের ইতিহাস আছে কি না, পেটে কোনো চাকা অনুভূত হয় কি না আর রক্তশূন্যতা আছে কি না, এই বিষয়গুলো জানা জরুরি। ওজন কমা রেড ফ্ল্যাগ সাইন বা বিপৎসংকেত হিসেবে ধরা হয়। আপনার একটি কোলনস্কপি করা দরকার হতে পারে। তবে তার আগে দরকার রক্তের হিমোগ্লোবিন ও অন্যান্য কিছু রুটিন পরীক্ষা। সবচেয়ে ভালো হয় আপনি প্রথমে একজন পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দেখা করুন।

পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. জাকির হোসেন, সহকারী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজি বিভাগ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ।

স্পিচথেরাপি

৬. আমি বর্তমানে একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএস করছি। স্পষ্টভাবে কথা বলতে পারি না। যখন কথা বলি, তখন অনেকে বুঝতে পারে না। এমনকি যখন নাম বলি, তখনো অনেকে বুঝতে পারে না। যেমন: যখন ইমরুল বলি অনেকে ইমরু শুনে। আমি বোঝাতে চাইছি, শব্দগুলো মুখ থেকে ঠিকভাবে বের হয় না। মুখের ব্যায়াম করছি, কোনো উপকার এখনো পাইনি। কথা ঠিকভাবে বলতে না পারায় খুব মানসিক কষ্টে আছি। আমার কী কী চিকিৎসা নেওয়া উচিত? —নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: প্রথমত জানতে হবে আপনার কোনো নিউরোলজিক্যাল অথবা কোনো মানসিক সমস্যা ছিল বা আছে কি না? এরপর জানতে হবে আপনার উচ্চারণ সাহায্য করে এমন অঙ্গগুলোর মাংসপেশি সঠিকভাবে কার্যক্ষম আছে কি না? আপনার সমস্যায় সাহায্য করতে পারেন একজন স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট। আপনি সিআরপি অথবা সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। চিকিৎসা নেওয়ার আগ পর্যন্ত আপনি প্রতিটি বর্ণের উচ্চারণের জায়গাগুলো ভালো করে জিব দিয়ে স্পর্শ করে চর্চা করুন। আগেই শব্দ না বলে বর্ণগুলো উচ্চারণ করার চেষ্টা করুন। তারপর একটার পর একটা বর্ণ যোগ করে টেনে শ্বাস নিয়ে শব্দ তৈরি করুন। চাপমুক্ত থাকুন, বেশি বেশি পানি পান করুন।

না জেনে কারও কথায় কোনো অনুশীলন আগেই করবেন না। আরও বিশদ জানতে চাইলে সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টসের ফেসবুক পেজটি দেখতে পারেন, যোগাযোগ সমস্যার কারণে আক্রান্ত ব্যক্তিদের অনলাইন সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পরামর্শ দিয়েছেন—মো. সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি বিভাগ, বিএইচপিআই-সিআরপি। সাধারণ সম্পাদক, সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টস।

স্ত্রীরোগ

৭. আমার স্ত্রীর বয়স ৪১ বছর। তাঁর মাসিক নিয়মিত। সর্বশেষ গত ৪ এপ্রিল মাসিক হয়েছে। মে ও জুলাইয়ে বাসায় প্রেগনেন্সি টেস্ট করে দুবারই নেগেটিভ এসেছে। গর্ভধারণের তেমন কোনো লক্ষণও তাঁর মধ্যে নেই। করোনা পরিস্থিতির কারণে কোনো চিকিৎসকের কাছেও যেতে ভয় হচ্ছে। আগের দুটি সন্তানই স্বাভাবিক প্রসবে (নরমাল ডেলিভারি) হয়েছে। আমার স্ত্রী আরেকটি সন্তান নেওয়ার জন্য খুবই ইচ্ছুক। এখন আমরা কী করব? —নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: আপনার স্ত্রীর বয়স যেহেতু ৪১, এ বয়সে গর্ভধারণ ঝুকিঁপূর্ণ। মায়ের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদির ঝুঁকির পাশাপাশি বেশি বয়সে বাচ্চা নিলে সন্তানের নানা সমস্যা (যেমন: ডাউনস সিনড্রোম) হওয়ার আশংকা থাকে। প্রেগনেন্সি টেস্ট নেগেটিভ মানে তিনি গর্ভধারণ করেননি। যেহেতু তাঁর দুটি সন্তান আছে, ঝুঁকি নিয়ে গর্ভধারণ করার পরিবর্তে স্বল্পমাত্রার জন্ম নিয়ন্ত্রণ বড়ি খেতে পারেন। এতে জন্ম নিয়ন্ত্রণ হবে, আবার মাসিকও নিয়মিত হবে।

পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. ফারজানা শারমিন, সহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিদ্যা বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ), ঢাকা।

৮. আমার স্ত্রীর বয়স ২৩ বছর। দেড় বছর আগে আমাদের প্রথম সন্তান হয়। কিছু জটিলতার কারণে নরমাল ডেলিভারি সম্ভব হয়নি। আমাদের পরবর্তী সন্তান কি নরমাল ডেলিভারিতে সম্ভব? অনেকে বলে সম্ভব না। কথাটি কতটুকু সত্যি? —নাম ও ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক

পরামর্শ: প্রথম সন্তান সিজারিয়ান হলেও পরবর্তী সন্তান হওয়ার সময় নরমাল ডেলিভারি সম্ভব। কিন্তু কয়েকটি বিষয়ের ওপর সিজারিয়ানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যেমন: প্রসবপথের সঙ্গে শিশুর আকারের সম্পর্ক, প্রসবে বিলম্ব, বা মায়ের প্রি–একলাম্পসিয়ার মতো কোনো জটিলতা আছে কি না, সব দিক বিবেচনা করে আপনার চিকিৎসক যথাসময়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কীভাবে প্রসব হবে। আগে থেকে বলা সম্ভব হবে না।

পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. শাহীনা বেগম, কনসালটেন্ট, বিআরবি হাসপাতাল, ঢাকা।

স্নায়ুরোগ

৯. আমার মায়ের বয়স ৫০ বছর। তাঁর বাঁ পায়ে প্রচুর ব্যথা ও জ্বালাপোড়া করে। মাঝেমধ্যে পা নাড়ানোর সময় পেশিতে টান লাগে। রগ কালো হয়ে থাকে। তাঁর ডায়াবেটিস নেই। —জুয়েল উদ্দিন

পরামর্শ: লক্ষণ শুনে মনে হচ্ছে আপনার মায়ের কোমরের হাড় ক্ষয় অথবা ডিস্ক প্রলাপ্সের মতো সমস্যা রয়েছে। এই রোগ নির্ণয় করার জন্য শারীরিক পরীক্ষা করা জরুরি। কোমরের এক্স–রে ও এমআরআই—এ দুটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। আপাতত পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে বলুন। কিডনির সমস্যা আছে কি না, তা না জেনে প্যারাসিটামল ব্যতীত অন্য ব্যথার ওষুধ খাওয়া যাবে না। দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পরামর্শ দিয়েছেন—ডা. মো রাশেদুল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, নিউরোলজি বিভাগ, বারডেম জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা।

১০. আমার বয়স ১৬। আমি বসা থেকে দাঁড়ালেই আমার ডান পা ও ডান হাতের আঙুলগুলো অসাড় হয়ে বাঁকা হয়ে যাওয়ার মতো হয়, মুখও অনেকটা বাঁকা হয়ে যায়। ৫ থেকে ১০ সেকেন্ডের মধ্যেই আবার ঠিক হয়ে যায়। আমার ডান কানের পেছনে চামড়ার একদম নিচেই টিউমার আছে। টিউমারের কারণেই কি এমনটা হচ্ছে? —নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, দিনাজপুর।

পরামর্শ: তুমি সম্ভবত ডিসকাইনেজিয়া নামের অনিচ্ছাকৃত শারীরিক অঙ্গভঙ্গিজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছ। এটি একধরনের স্বল্প পরিচিত স্নায়ুরোগ। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করলে উপকৃত হতে পার। তবে সমস্যাটি তোমার কানের পেছনের টিউমারের জন্য হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। সুতরাং অহেতুক দুশ্চিন্তা করবে না।

পরামর্শ দিয়েছেন— ডা. সেলিম শাহী, সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা।