শিখে নিন ‘সর্ষে ভাপা চিংড়ি’ তৈরির সহজ পদ্ধতি

চিংড়িমাছ খেতে পছন্দ করেন না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। এক কথায়, ছোট থেকে বড় সবার পছন্দ চিংড়ি। চিংড়ির তৈরি যেকোনো রেসিপি সহজেই জিভে জল এনে দেয়। বাড়িতে খাবারের টেবিলে চিংড়িমাছের কোনো আইটেম থাকলে খাবার খাওয়ার আনন্দ দ্বিগুণ বেড়ে যায়।

চিংড়ির মালাইকারি কিংবা চিংড়ির ভর্তা সবসময় খাওয়া হয়েই থাকে। তাই আজ স্বাদে বৈচিত্র আনতে তৈরি করুন সর্ষে ভাপা চিংড়ি। সরিষার ঝাঁজ ও ভাপা চিংড়ির সুঘ্রাণ এই রান্নাকে লোভনীয় করে তুলবে সহজেই। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক রেসিপিটি-

উপকরণ: ১৫-২০টি মাঝারি আকৃতির চিংড়িমাছ, দুই টেবিল চামচ কালো সরিষা দানা, দুই টেবিল চামচ সাদা সরিষা দানা,দুই টেবিল চামচ গ্রেট করা নারকেল, দুই টেবিল চামচ পোস্তদানা, দুই চা চামচ হলুদ গুঁড়া, দুই টেবিল চামচ টকদই, তিন টেবিল চামচ সরিষা তেল, ৫-৬টি কাঁচামরিচ, প্রয়োজন মাফিক পানি, স্বাদমতো লবণ ও চিনি।

প্রণালী: প্রথমে একটি বাটিতে কালো, সাদা সরিষা দানা ও পোস্তদানা পানিতে এক ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে। এক ঘন্টা পর এর সঙ্গে গ্রেট করা নারকেল, একটি কাঁচামরিচ ও সামান্য লবণ একসঙ্গে মিশিয়ে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ব্লেন্ড করার সময় অল্প পানি ব্যবহার করা যেতে পারে।

তৈরিকৃত পেস্ট একটি স্টিলের পাত্রে ঢেলে পেস্টের সঙ্গে টকদই, হলুদ গুঁড়া, অল্প চিনি ও লবণ দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে মেশাতে হবে। স্টিলের পাত্রটির সঙ্গে অবশ্যই ঢাকনা থাকতে হবে।

এবার এতে চিংড়িমাছ, বাকি কাঁচামরিচ ফালি ও সরিষা তেল মেশাতে হবে এবং এক ঘণ্টার জন্য পাত্রটির মুখ বন্ধ করে রেখে দিতে হবে। তারপর কড়াইতে পানি ফুটাতে হবে। পানি ফুটে উঠলে মশলা মিশ্রিত মাছের স্টিলের পাত্রটি কড়াইয়ের পানিতে বসিয়ে দিতে হবে।

খেয়াল রাখতে হবে, স্টিলের পাত্রের অর্ধেক অংশ পর্যন্ত যেন পানির নিচে থাকে। এ অবস্থায় কড়াইয়ের মুখ ঢাকনার সাহায্যে ঢেকে দিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। সময় হয়ে গেলে কড়াই থেকে স্টিলের পাত্রটি বের করে আরো ১৫ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এরপর স্টিলের পাত্রের মুখ খুলে সর্ষে ভাপা চিংড়ি পরিবেশন করতে হবে।