প্রিয় সন্তানের উচ্চতা একটু বাড়ানোর সহজ ৬টি কৌশল শিখে নিন

সন্তানের উচ্চতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে জিন। এটি একমাত্র ফ্যাক্টর নয় যা উচ্চতাকে প্রভাবিত করে। আশেপাশের পরিবেশ, খাবার, শরীরচর্চা এসব ও শিশুর উচ্চতা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জেনে নিন আপনার সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর ৬টি সহজ উপায় –

সামগ্রিক বৃদ্ধির জন্য সুষম খাদ্য সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শরীরের সঠিক পুষ্টি পৌঁছানো। সুষম ডায়েটে সঠিক অনুপাতে প্রোটিন, শর্করা, চর্বি এবং ভিটামিনের মিশ্রণ হওয়া উচিত। এছাড়াও আপনার সন্তানকে জাঙ্কফুড এবং কোমল পানীয় থেকে দূরে রাখুন। মাঝে মাঝে অল্প খেলে সমস্যা নেই, কিন্তু কোনভাবেই যেন প্রতিদিন এসব না খায়।

জিঙ্কঃ আপনার সন্তানের বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখে। সুতরাং, চিনা বাদাম এবং স্কোয়াশ বীজের মত দশটা সমৃদ্ধ খাবার গুলো তাদের ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করা গুরুত্বপূর্ণ।ভারসাম্য যুক্ত ডায়েট আপনার সন্তানের উচ্চতা বাড়ানোর জন্য সঠিক পুষ্টি সরবরাহ করবে না। তবে তাকে ভেতর থেকে আরও শক্তিশালী করবে।

শরীরচর্চা: অল্প বয়স থেকেই আপনার সন্তানকে কিছু সাধারন শরীরচর্চা শেখানো উচিত। এটি তার উচ্চতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়াকে সহজতর করবে।প্রসারিত মেরুদণ্ডকে দীর্ঘায়িত করতে এবং আপনার সন্তানের শারীরিক গঠন উন্নত করতে সহায়তা করে।

হ্যাংগিং: উচ্চতা বৃদ্ধির জন্য হ্যাংগিং কয়েক দশক ধরে পরিচিত এক উপায়। এটি মেরুদণ্ডকে দীর্ঘায়িত করতে সহায়তা করে যা লম্বা হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ।নিয়মিত হ্যাংগিং ছাড়াও আপনি আপনার সন্তানকে পুল-আপ এবং চিন‌আপস করতেও বলতে পারেন।এদুটি শরীরচর্চায় পিঠ এবং বাহুর পেশি শক্তিশালী করে তোলে।

স্কিপিং: স্কিপিং বা দড়ি লাফ একটি মজাদার শরীরচর্চা শিশুদের কাছে আরো বেশি খেলার মত অনুভূতি হয়,এটি হৃদপিণ্ডসহ পুরো দেহে কাজ করে এবং উচ্চতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি একটি আশ্চর্যজনক কার্ডিও ওয়ার্কআউট, যা আপনার সন্তানকে সক্রিয় এবং স্বাস্থ্যকর রাখতে সহায়তা করে।

সাঁতার: সাঁতার আরেকটি স্বাস্থ্যকর এবং মজার শরীরচর্চা যা আপনার সন্তানের সামগ্রিক বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটি একটি পুরো শরীরের ব্যায়াম যা শরীরের সব পেশিতে কাজ করে।নিয়মিত সাঁতার কাটলে মেরুদন্ড শক্তিশালী হয় এবং উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।

ভালো ঘুম: রাতে একটি ভালো ঘুম কেবল বড়দের জন্য নয়, শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আপনার সন্তানকে সুস্থ এবং শক্তিশালী রাখার জন্য প্রতি রাতে তার অন্তত আট ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হবে।