ঋতাভরী থেকে শ্রীলেখা, ডিপ্রেশনের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন এই নায়িকারা, দেখুন গ্যালারী

ডিপ্রেশন নিয়ে খোলাখুলি তারকারা

দীপিকা পাডুকোন প্রকাশ্যে নিজের অবসাদ নিয়ে কথা বলেছিলেন বলে অনেক হইচই হয়েছে। তাঁর থেকে সাহসে কোনও অংশেই কম যান না আমাদের ঘরের তারকারা।

বাংলা চলচ্চিত্র জগতের প্রথম সারির বহু অভিনেতা-অভিনেত্রীই নানা সময়ে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন তাঁদের জীবনের সেই অন্ধকার সময়ের কথা। শ্রীলেখা মিত্র এবং ঋতাভরী চক্রবর্তী ছাড়া আর কারা আছেন সেই তালিকায়? দেখে নিন।

​শ্রীলেখা মিত্র

তিনি একদিকে যেমন সাহসী তেমনই স্পষ্ট বক্তা। রাখঢাক করে পলিটিকালি কারেক্ট কথা বলতে তিনি জানেন না। তাঁর এই গুণেই মুগ্ধ অসংখ্য মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে অবসাদের কালো দিন কাটিয়ে শ্রীলেখা সমাজকে এই মানসিক রোগ সম্পর্কে সচেতন করার সব চেষ্টা করে থাকেন।

শ্রীলেখা মিত্র

তিনি একদিকে যেমন সাহসী তেমনই স্পষ্ট বক্তা। রাখঢাক করে পলিটিকালি কারেক্ট কথা বলতে তিনি জানেন না। তাঁর এই গুণেই মুগ্ধ অসংখ্য মানুষ। ব্যক্তিগত জীবনে অবসাদের কালো দিন কাটিয়ে শ্রীলেখা সমাজকে এই মানসিক রোগ সম্পর্কে সচেতন করার সব চেষ্টা করে থাকেন।

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়

চলচ্চিত্র জগতের আরও এক স্পষ্টবাদী সাহসী নাম। স্বস্তিকা নিজে অবসাদের মধ্যে দিয়ে গেছেন। তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কলঙ্ক কতটা কষ্টের তিনি জানেন। আর তাই তো মানুষের মধ্যে মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে তিনি এগিয়ে এসেছেন।

ঋতাভরী চক্রবর্তী

ঋতাভরী নিজে মানসিক অবসাদের কালো সময়ের মধ্যে দিয়ে গেছেন। কিন্তু হার মানেননি। ডিপ্রেশনের অসুরকে হারিয়ে ফিরেছেন হাসিখুশি জীবনে। তাঁর সেই বেঁচে থাকার মন্ত্র বিলিয়ে দেন অসংখ্য মানুষের সঙ্গে।

পার্নো মিত্র

শুধুমাত্র যে নিজের অবসাদ নিয়ে বিভিন্ন সময়ে নায়িকা কথা বলেছেন তা নয়, বার বার বার্তা দিয়েছেন কাছের মানুষদের পাশে থাকার, তাঁদের মন বোঝার চেষ্টা করার।

রুক্মিণী মৈত্র

কোভিড থেকে সুস্থ হয়ে অসুখের সময়ে কী ভীষণ অবসাদে ভুগেছিলেন তা খোলাখুলি জানিয়েছেন রুক্মিণী। একথাও স্বীকার করেছেন, সেই সময়টা তাঁকে কীভাবে মানুষ হিসেবে আরও স্ট্রং করে তুলেছে।

অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়

একটা সময় ছিল যখন নেশায় বুঁদ থাকতেন। তার জন্য রিহ্যাবেও কাটাতে হয়েছে সময়। দীর্ঘ দিন অবসাদেও ভুগেছেন। তবে মনের জোরে কঠিন সময় পেরিয়ে এসেছেন। সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন ডিপ্রেশনের অভিজ্ঞতা।