ডায়াবিটিস নিয়েও সুস্থ থাকতে ডায়েটে রাখুন এই ৯টি খাবার

শরীরে একবার ডায়াবিটিস বাসা বাঁধলে সমস্যা বেড়েই চলে। বহু খাবার বাদ দিতে হয়।

তবে কিছু খাবার রোজ ডায়েটে থাকলে নিয়ন্ত্রণে থাকে ডায়াবিটিস। জেনে নেওয়া যাক সেগুলি কী।

কাঁচা হলুদ ব্লাড সুগারের মাত্রাকে নামাতে সাহায্য করে। ডায়াবিটিস কিডনিতেও প্রভাব ফেলে। কিন্তু একটু অরগ্যানিক হলুদ খেলে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে ডায়াবিটিস।

বাদাম ভালো স্ন্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রেণে রাখে এবং শরীরে পুষ্ট জোগায় বাদাম। খিদে পেলে তাই বাদাম খেতে পারেন।

সবুজ তরকারি ডায়াবিটিসের রোগীদের জন্য উপকারী। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও মিনারেলস থাকে। পাশাপাশি ক্যালরিও কম থাকে সবুজ তরকারিতে। অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় ডায়াবিটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।

তৈলাক্ত মাছ বা ফ্যাটি ফিশ স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী। এতে যথেষ্ট পরিমাণে ওমেগা ৩ থাকে যা হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়। সার্ডিন, স্যামন, ম্যাকারেল ইত্যাদি জাতীয় মাছ সপ্তাহে একবার খেতে পারেন ডায়াবি‌টিসের রোগীরা।

ডিমে পুষ্টির পরিমাণ যথেষ্ট থাকে। ব্রেকফাস্টে খেতে পারেন। হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় ডিম এবং ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে রাখে।

অন্য তেলের বদলে অলিভ অয়েল খান। ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় এবং হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়। অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে এই তেলে।

দারচিনি মশলা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এর প্রচুর উপকারিতা আছে। ইনসুলের মাত্রা ঠিক রাখে দারচিনি এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে।

গ্রিক ইয়োগার্ট ডায়াবিটিস রোগীরা খেতে পারেন কারণ এর মধ্যে প্রোবায়োটিকস, ক্যালশিয়াম, ইত্যাদি থাকে। লোফ্যাট ইয়োগার্ট খান বিশেষ করে।

ফলের মধ্যে অবশ্যই স্ট্রবেরি খান কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে।