জেনে নিন কোন বয়সে কেমন দুধ খাবেন? সচেতন হোন

দুধ কেবল একটি পানীয় নয়, সুষম খাদ্য বটে। কেননা এতে আমিষ, চর্বি, শর্করা ও নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পর্যাপ্ত পরিমাণে মেলে। একটিমাত্র পানীয়ে এত ধরনের পুষ্টি উপাদান বোধ হয় আর পাওয়া যাবে না। বিভিন্ন গবেষণায় মস্তিষ্কের উন্নয়ন এবং কোলোরেক্টাল ক্যান্সার প্রতিরোধেও দুধের ভূমিকা পাওয়া গেছে। তবে কোন বয়সে কেমন দুধ খাবেন সেটা জানেন না অনেকেই।

শিশুদের জন্য: মা এবং বাচ্চাদের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত উদ্বেগগুলোর মধ্যে একটি হল দুধের বিষয়টি। ক্যালসিয়ামের প্রয়োজনীয় মাত্রা না পেলে বাচ্চাদের বৃদ্ধির বছরগুলোতে তা ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বাচ্চাদের বিকাশের বছরগুলিতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের প্রয়োজন যা হাড় ও দাঁত শক্তিশালী করে। উল্লেখ্য, শিশুদের জন্য সেরা সামগ্রী- গরুর দুধ।

কিশোরদের জন্য: হাড় সবচেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায় কিশোর বয়সে। ক্যালসিয়াম ছাড়া, দুধে নয়টি অপরিহার্য পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস রয়েছে, যেমন কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১২, রিবোফ্লেভিন এবং জিংক। যা স্বাস্থ্যকর রক্তের গঠন, অনাক্রম্যতা, দৃষ্টিশক্তি বাড়ানো, পেশী এবং স্নায়ুর কার্যকারিতা, শক্তি, বৃদ্ধি এবং কোষ মেরামতের জন্য উপকারি। কিশোর বয়সীদের জন্য সেরা দুগ্ধজাত পণ্য- টোনড দুধ।

বড়দের জন্য: বড়দের কেমন দুধ খাওয়া উচিত সেটা অনেকেই জানেন না। বেশি বয়সিদের জন্য দুগ্ধজাত সামগ্রী বিশেষভাবে বাছা উচিৎ। দুধের সামগ্রী হাড়ের ঘনত্ব ভালো রাখে তবে সুস্থ জীবন পরিচালনার জন্য কোন পণ্য খাওয়া উচিৎ সে নিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রস্তাবিত সেরা দুগ্ধজাত পণ্য হচ্ছে- ক্রিম বা মালাই দিয়ে স্কিমড দুধ।