লেখাপড়া শুরু করা আপনার সন্তানের স্মরণশক্তি বাড়ানোর কিছু সহজ ঘরোয়া উপায় শিখে নিন

বাবা-মা ও শিক্ষক-শিক্ষীকা ছাত্রছাত্রীর প্রতি একটু খেয়াল ও সতর্ক দৃষ্টি রাখলে সন্তান ভালো ফলাফল করতে পারে। কিছু নিয়ম, কিছু কৌশলী, কিছু ধারণা শিশুকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারে। শিশুর স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে একটি সোজা-সূত্র হলো এক নজরে একটা বিষয় সম্পর্কে ধারণা, মনে মনে একটি ম্যাপ তৈরি করা।

এর অর্থ হলো বাচ্চা যতোটুকু পড়লো তার মধ্যে নিজে নিজে প্রশ্ন করে উত্তর দেয়া এতে ওই সম্বন্ধে বিভিন্ন আঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। বুঝে বুঝে পড়া। কোনো কিছু না বুঝে পড়লে বেশিক্ষণ মনে থাকে না। আবৃত্তিসহ পড়া।

এই জন্য দরকার :

১. সুষম খাদ্য,

২. পরিমিত ঘুম,

৩. আত্মবিশ্বাস,

৪. নিয়মিত ব্যায়াম,

৫. প্রশংসা (পজিটিভ ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি),

৬. পড়ার কৌশল।

স্মৃতিশক্তি শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। স্মৃতিশক্তি ভালো হলে সে স্কুলে কিংবা যেকোন জায়গায় ভালো করতে পারবে।

অনেক শিশুই পড়াশোনা কিংবা কোনো বিষয় বুঝতে বা মনে রাখতে না পারলে অসহায় বোধ করে। শিশুদের স্মৃতিশক্তির বাড়ানোর বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। এ ব্যাপারে শিশুদের বাবা-মা তাদের সাহায্য করতে পারেন।

শিশুদের প্রশ্ন করতে উৎসাহিত করুন। তারপর সেইসব প্রশ্নের উত্তর দিন। এতে তারা চিন্তা করার শক্তি বৃদ্ধি পাবে।

যা তারা শিখছে তাই দিয়ে ছড়া, কবিতা কিংবা গান তৈরি করতে সাহায্য করুন। গান বা এই জাতীয় ছন্দ সহজেই মাথায় গেঁথে যায় । তাই এর ব্যবহার শিশুদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

পড়াশোনা আনন্দদায়ক করতে তাকে ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ের বই কিংবা ভিডিও দেখাতে পারেন। এগুলো শিশুদের শেখার আগ্রহ তৈরিতে সাহায্য করে। শিশুদের মাঝে মধ্যে জাদুঘর কিংবা আর্ট গ্যালারিতে নিয়ে যেতে পারেন। নিজের পড়াশোনার সঙ্গে যদি এগুলোর কোনটি মিলে যায় তাহলে তা মনে রাখতে তার জন্য অনেক সহজ হবে।

যেই পড়াটা সে বুঝতে পারছে না বা মনে রাখতে সমস্যা হচ্ছে সেটা নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলুন। সে কী ভাবছে তা জানতে চেষ্টা করুন।

শিশুকে এমনভাবে পড়াতে হবে যাতে যা সে শিখছে তা যেন দেখতে পারছে এমন একটা অনুভূতি হয়। ছবি দেখিয়ে কিংবা গল্প করে সেটা বোঝাতে পারেন।

শিশুকে নিজের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করার সুযোগ দিন। শিশু যা শিখছে তা তাকে ব্যাখা করতে দিন।

শিশুর মনে আলাদা মানচিত্র তৈরি করতে সাহায্য করুন। বিভিন্ন ভাবনার কথা তাকে বলুন যাতে একটার সঙ্গে সে আরেকটা সংযোগ করতে পারে।

তার সঙ্গে শব্দের খেলা খেলতে পারেন। একটা শব্দের সঙ্গে মিলিয়ে সে কতগুলো জিনিস কিংবা ভাবনার কথা বলতে পারে সেটা দেখতে পারেন। এতেও তার মস্তিষ্কের শক্তি বাড়বে।