শ্রীলেখা থেকে ঋতাভরী, বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন যাঁরা, দেখুন গ্যালারী

​বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন যাঁরা

গ্ল্যামার দুনিয়ায় কাজ করার ভালো দিকও যেমন আছে তেমনই রয়েছে বিড়ম্বনা। বার বার কটাক্ষের শিকার হতে হয় তাঁদের। সর্বক্ষণ মনিটরড হয় তাঁদের প্রতিটি পদক্ষেপ। সামান্য রোগা অথবা মোটা হলেই নেটিজেনদের তির্যক বাক্যবাণে বিদ্ধ হন তাঁরা।

কিন্তু এতটুকু টলানো যায় না তাঁদের কনফিডেন্স। ট্রোলিংয়ে উচিত জবাব দিয়ে বন্ধ করে দেন সমালোচকদের মুখ।

​শুভশ্রী

সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই তাঁকে শরীর নিয়ে নানা কটূক্তি শুনতে হয়েছে। কিন্তু তাতে তাঁর কিস্সু যায় আসে না। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য। যাঁরা অসুস্থ মানসিকতার তাঁদের হাতে অনেক সময়ে নেগেটিভ আলোচনা করার। তাঁর কাছে নেগেটিভিটির জন্য কোনও সময় নেই।

​শ্রীলেখা

বডি শেমিং আর তাঁর যেন গভীর সম্পর্ক। বার বার সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে ট্রোল করা হয়েছে ওভারওয়েট বলে। কিন্তু তাতে বিন্দুমাত্র বিচলিত হন না এই সাহসিনী। বরং মাঝে মধ্যেই কটাক্ষের যোগ্য জবাব ফিরিয়ে দেন তিনি।

​পাওলি

মেয়েটা কালো, নাকটা বাঁকা… এমন কথা বার বার শুনতে হয়েছে পাওলি দামকে। কিন্তু তিনি হেরে যাননি। দাঁতে দাঁত চেপে নিজের কাজটা চালিয়ে গেছেন। বুঝিয়ে দিয়েছেন গায়ের রং না অভিনয়ের জোরে তিনি নিজের জায়গা পাকা করতে ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছেন।

​ঋতাভরী

পর পর দুটি অস্ত্রোপচার। আর তার পরেই ওজন বেশ খানিকটা বেড়ে গিয়েছিল। তাতেই বয়ে গিয়েছিল সমালোচনার ঝড়। কিন্তু ঋতাভরীর বক্তব্য স্পষ্ট। একজন নারীর সৌন্দর্য শুধুমাত্র তাঁর শরীরে নয়, তাঁর বুদ্ধি ও মননে।

​স্বস্তিকা

ছিপছিপে রোগা হওয়ার পথে তিনি কোনওদিনই হাঁটেননি। বরং নিজের শর্তে জীবন বাঁচতেই ভালোবাসেন। শরীর নিয়ে অনেক কটাক্ষ শুনতে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু তাতে কখনওই কান দেননি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়। বরং তাঁর একাধিক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে বার বার সোচ্চার হয়েছেন বডি শেমিংয়ের বিরুদ্ধে।