নিয়মিত গিঁটে ব্যথা এই সকল মারাত্মক রোগের লক্ষণ, সচেতন হোন

গিঁটে ব্যথায় অনেকেই ভোগেন। বিশেষ করে মধ্য বয়স্করা এই সমস্যায় বেশি কষ্ট পান। এটি মূলত রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ।

এই রোগে আক্রান্ত রোগীরা হাঁটু, গোড়ালি, পিঠ, কব্জি বা ঘাড়ের জয়েন্টগুলোতে ব্যথার অনুভূত হয়।

রিউমাটয়েড আর্থরাইটিসকে অনেকে শুধু হাড়ের সংযোগস্থলে ব্যথা বলেই মনে করেন। তবে এই অসুখ শুধু তা নয়।

এ রোগের কারণে হাড়ে ব্যথার পাশাপাশি আরও বিভিন্ন ধরনের শারীরিক সমস্যা হতে পারে।

রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিসের সমস্যা রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এই রোগের কারণে হাড়ে প্রদাহ ও ব্যথা বাড়ে।

সমস্যাটি অতিরিক্ত পর্যায়ে পৌঁছালে চোখ, ত্বক, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও রক্তনালীতেও মারাত্মক প্রভাব পড়ে।

যদিও রাতারাতি এই অসুখ সারানো যায় না। তবে প্রাথমিক অবস্থায় রোগটি ধরা পড়লে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা যেতে পারে। গিঁটে ব্যথা ছাড়াও এ রোগে আরও যেসব লক্ষণ প্রকাশ পায়-

>> অতিরিক্ত ক্লান্তি সব রোগেরই প্রাথমিক লক্ষণ। ঠিক তেমনই রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসও এই অসুখের ইঙ্গিত দেয়।

>> প্রায়ই জ্বর আসছে? তাহলে নিশ্চয়ই শরীরে কোনো রোগ বাসা বাঁধছে। যা জ্বরের মাধ্যমে জানান দেয়। যদি প্রায়ই হঠাৎ করে জ্বর আসে বা শরীরে জ্বরজ্বর ভাব থাক, তাহলে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ হতে পারে।

>> হঠাৎ করেই হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়া এই রোগের আরেকটি লক্ষণ। হাত ও পায়ের জোরও কমে যেতে পারে এ কারণে।

>> যদি হাত-পায়ে দীর্ঘদিন ধরেই ব্যথা থাকে, তাহলে সতর্ক হওয়া জরুরি। রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হলে যে প্রচণ্ড ব্যথা হয় তা কিন্তু নয়। শুরুর দিকে এক্ষেত্রে কম ব্যথা থাকে।

>> রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিসের আরও একটি মারাত্মক লক্ষণ হলো, চোখ লাল হয়ে যাওয়া।

>> এ ছাড়াও ওজন কমতে শুরু করলেও সতর্ক হতে হবে।