পিরিয়ডসের সময় মেয়েদের এই নিয়মগুলো অবশ্যই মানতে হবে, পুরুষদেরও জেনে রাখা উচিত

প্রতিটি নারীর জন্য পিরিয়ড বা মাসিক খুবই সাধারণ একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া।

প্রতি মাসে সঠিক সময়ে মাসিক শুরু হওয়ার মাধ্যমে নারীর শারীরিক সুস্থতাও নিশ্চিত হয়।

পিরিয়ড নিয়ে হাজারো সমস্যা প্রতিনিয়তই সামলাচ্ছেন মেয়েরা। কিন্তু মাসের ওই কয়েকটা দিনেও হাঁফ ছেড়ে বাঁচার ফুরসত মেলে না মেয়েদের। ফলে দিনের শেষে অফিস-পরিবার সব সামলেও অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করে দিন কাটাতে হয় মেয়েদের।

এই মাসিকের সময় নারীদের কিছু কাজ করা থেকে, কিছু খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা উচিৎ নিজেদের সুস্বাস্থ্যের জন্যে। তবে অনেকেই এ ব্যাপারে সচেতন নয়।

একটা মেয়ের বয়স যখন ১২- ১৩ তখন তাঁর মাসিক হয় শুরু হয়। বয়স ৫২ বা তার কাছাকাছি বয়সে গিয়ে মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। ডাক্তাররা যেটাকে বলে, সেটা হলো যদি পুরো এক বছর মাসিকটা বন্ধ থাকে, তখনই আমরা বলি সে মেনোপোজে গেছে।

মেনেপোজের আগের সময়টাতে তার কিছু শারীরিক পরিবর্তন দেখা দেয়। একারণে পিরিয়ডের সময় নারীদের বাড়তি সচেতনতা প্রয়োজন।

পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল পান করা একেবারেই উচিত নয়। এমনকী দূরে থাকা উচিত সফট ড্রিংকস থেকেও। এই সময় এই ধরনের পানীয় খেলে ইউটেরাইন ওয়ালে রক্ত থেকে যায়। এমনটা হতে থাকলে ৫-১০ বছর পরে গিয়ে ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বহুগুণে বেড়ে যায়।

এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।

এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব দুর্বল থাকে ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে।

যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার, জরায়ুতে ঘা কিংবা বন্ধ্যাত্ত্বের ঝুঁকি থাকে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।