অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই আমির খানের যে দাবি মেটাতে বাধ্য হয়েছিলেন করিনা কাপুর, দেখুন বিস্তারিত

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতেই আমির খানের দাবি মেটাতে বাধ্য হয়েছিলেন করিনা কাপুর

যখন এই ছবির শুটিং চলছিল তখন তিনি তার গর্ভাবস্থা সম্পর্কে জানতে পেরেছিলেন।

পরে এই খুশির খবর ছড়িয়ে দেন বেবো। তিনি জানান, দ্বিতীয়বার তিনি মা হতে চলেছেন। তাঁর পরিবারে আসতে চলেছে নতুন সদস্য।

জন্মের পর পরই দ্বিতীয় সন্তানের মুখ দেখাননি তিনি। সম্প্রতি তার প্রেগন্যান্সি বাইবেলের মধ্যে দিয়ে ছেলের নাম প্রকাশ করেন, আর তাতেই কড়া সমালোচনার শিকার হন করিনা কাপুর খান।

সম্প্রতি একটি গণ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দেন করিনা। তাতে তার অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন অবস্থার কথা তুলে ধরেন, তেমনই একটি অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

করিনার কথায়, চিকিৎসক একেবারেই বারণ করেছিলেন শ্যুটিং করার ব্যাপারে। কারণ করোনা থেকে সাবধানে থাকতে বলেছিলেন তাঁকে। শরীরের বিশেষ খেয়াল রাখতেও বলেছিলেন।

কিন্তু করিনা জানান, আমির খানের জন্য চিকিৎসকের সেই অনুরোধ রাখা সম্ভব হয়নি। কিন্তু কি এমন দাবি করেছিলেন আমির, শুনলে চমকে যাবেন সকলে

করিনা জানিয়েছেন চিকিৎসকের বারণ সত্ত্বেও পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় লাল সিং চাড্ডার টানা শ্যুটিং করে সকালে বাড়ি ফিরতেন তিনি। আমির খানের আবদারেই এই কাজ করেছিলেন তিনি।

আমিরের দাবিতেই মূলত করিনা শুটিং করতে রাজি হন। জেহ পেটে থাকাকালীন, ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় শ্যুটিং করেন তিনি।প্রসঙ্গত লাল সিং চাড্ডার প্রোডিউসার আমির খান নিজেই।

করিনা যখন পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা, তখন মুম্বাই থেকে রোজ প্রাইভেট জেটে দিল্লি উড়ে যেতেন। সাথে থাকতেন সইফ আলী খান ও ছোট্ট তৈমুর। সারা রাত জুড়ে শ্যুটিং হত।

তবে অন্তঃসত্ত্বা করিনা কাপুরকে নিয়েই বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করেন আমির খান। করিনার ভ্যানিটির মধ্যে বিশেষ সুরক্ষা ব্যবস্থা রাখা হয়। প্রয়োজনের বেশি যেন লোক না থাকে, অযথা যেন কেউ প্রবেশ না করে,সমস্ত বিষয়েই কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেন আমির।