শ্বশুর বাড়িতে চরম সুখে থাকার ৭টি সিক্রেট উপায় জেনে নিন

শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে কিছু প্রতিকূলতার মধ্যে পড়তে হয় অধিকাংশ মেয়েকেই। বিয়ের প্রথম প্রথম যেই সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে অসুবিধায় পড়েন সব মেয়েরাই। নিজের নতুন পরিবার ভেবে যে মানুষদের গ্রহণ করেন তাদের কাছ থেকেই অবাঞ্ছিত ব্যবহার পেয়ে আঘাত পেলেও মুখ বুজে সহ্য করেন অনেকেই। তাই আজ আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম শ্বশুর বাড়িতে চরম সুখে থাকার ৭টি সিক্রেট উপায়।

চলুন তাহলে দেখে নেওয়া যাক শ্বশুর বাড়িতে চরম সুখে থাকার ৭টি সিক্রেট উপায়গুলো…

নিজের বাড়ির লোকেদের কাছ থেকেও শুনতে হয়, “শ্বশুরবাড়িতে মানিয়ে নিতে হয়”। তবে কিছু কিছু লক্ষণ দেখলে অবশ্যই সাবধান হন। এগুলোর সঙ্গে মানিয়ে না নিয়ে অবশ্যই মোকাবিলা করুন।

১) ওরা কি আপনাদের দু’জনের মধ্যে ঝগড়া লাগিয়ে দিতে চান? কথা ঘুরিয়ে বলে ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টি করে একে অপরের বিরুদ্ধে করে দিতে চান আপনাদের? বুঝতে পারলেই সতর্ক হয়ে যান। নিজেদের মধ্যে আলোচনা করুন। পারলে আলাদা থাকুন শ্বশুরবাড়ি থেকে।

২) দাম্পত্যে যে সব সিদ্ধান্ত শুধু আপনাদের দু’জনের, একান্ত, সেই সব সিদ্ধান্তেও কি ওঁরা নাক গলান? এতে কিন্তু পরে একে অপরকে দোষারোপ করে নিজেদের মধ্যেই অশান্তি তৈরি হবে। আপনাদের সিদ্ধান্ত পরিবারের সকলকে জানানোর প্রয়োজন নেই।

৩) শ্বশুর বাড়িতে কি কথায় কথায় আপনাকে ঠেস দিয়ে কথা বলা হয়? ইচ্ছা করে এমন কথা বলা হয় যাতে আপনি আপমানিত হন বা কষ্ট পান? একা একা কাঁদবেন না। ভদ্র ভাবে উত্তর দিন অথবা সম্পূর্ণ উপেক্ষা করুন।

৪) আপনার শাশুড়ি কি আপনাদের পার্সোনাল স্পেস বোঝেন না? যখন তখন আপনাদের ঘরে ঢুকে পড়েন? বা আপনার শ্বশুরমশাই কি প্রত্যেক শুক্রবার রাতেই ছেলেকে কোনও না কোনও কাজ দিয়ে দেন? এগুলো কিন্তু ইচ্ছাকৃতই করে থাকেন।

৫) আপনার শাশুড়ি কি আপনাকে বাচ্চা মনে করেন? মাঝে মাঝে স্নেহবশত যত্ন নেওয়া ভাল। কিন্তু স্নেহের দোহাই দিয়ে কি উনি আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন? মনে করেন আপনি নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারেন না? এমনটা যে আপনি পছন্দ করছেন না এবং আপনি যে যথেষ্ট স্বাবলম্বী সেটা বুঝিয়ে দিন।

৬) আপনার শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা কি আপনার অস্তিত্বকেই অস্বীকার করেন? আপনার উপস্থিতিতেও এমন আচরণ করেন যে আপনার কোনও গুরুত্বই নেই? সকলে একসঙ্গে খেতে বসলে আপনার কথা ভুলে যান? এই সমস্যা নিয়ে স্বামীর সঙ্গে খোলাখুলি কথা বলুন।

৭) আপনার শাশুড়ি বা শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য লোকেরা কি আপনার পিছনে আপনাকে নিয়ে কথা বলেন? নিজেদের পরিবারের অন্য সদস্য, বন্ধু বা প্রতিবেশীদের কাছে আপনার সমালোচনা করেন? তাহলে অবশ্যই তাদের বুঝিয়ে দিন নিজের গুরুত্ব।