যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, জেনে নিন বিস্তারিত

যমজ শিশুদের নিয়ে আমাদের মধ্যে সব সময় এক ধরনের কৌতূহল কাজ করে। মজার ব্যাপার হচ্ছে সম্প্রতি যমজ শিশুর জন্মও বাড়ছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এক পরিসংখ্যান বলছে, যমজ সন্তান জন্মের হার আগের চেয়ে অনেকটাই বেড়ে গেছে। ১৯৮০ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত এই বৃদ্ধির হার ৭৬ শতাংশ।

১৯৮০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সদ্যভূমিষ্ঠ প্রতি ৫৩ শিশুর মধ্যে একজন যমজ হত। ২০০৯ সালের হিসেবে তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রতি ৩০ জনে একজন।
সম্প্রতি যমজ সন্তানের মায়েদের উপর গবেষণা চালিয়েছে ‘জার্নাল অব রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন’।

তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে যমজ শিশু বেশি জন্ম নেয়ার কারণ, তাদের আচরণ এবং কাদের যমজ শিশু বেশি জন্ম হয় তা নিয়ে তথ্য দেয়া হযেছে।

গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব নারীদের উচ্চতা বেশি তাদের যমজ সন্তানের জন্ম দেয়ার সম্ভাবনা বেশি।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, মায়ের উচ্চতার সঙ্গে যমজ সন্তান জন্মদানের সম্পর্ক রয়েছে। কারণ আমাদের শরীরের বেড়ে ওঠার জন্য কিছু বিশেষ বিষয় কাজ করে। যাকে বলা হয় গ্রোথ-ফ্যাক্টর। যা হচ্ছে ইনসুলিন নামের এক বিশেষ ধরণের প্রোটিন।

এই ইনসুলিন বোন সেল বৃদ্ধিকে তরান্বিত করে। একই সঙ্গে মেয়েদের লম্বা হবার প্রবণতা ও যমজ সন্তান জন্মদানের বিষয়টিকে নিয়ন্ত্রণ করে।

কোন মহিলাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, চলুন জেনে নিই যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি এমন চমক প্রদত্ত কিছু তথ্য।

জেনে নিন যে নারীদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি:-

১. যমজ সন্তানদের হাতের ছাপ একেবারেই আলাদা। যদিও তাদের জিনের বৈচিত্র এক, তবুও হাতের ছাপ আলাদা।

২. যে সকল নারী লম্বা তাদের যমজ সন্তান হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। আইজিএফ প্রোটিন লম্বা নারীদের দেহে বেশি থাকে যা যমজ সন্তান হতে সাহায্য করে।

৩. একটি সমীক্ষার মাধ্যমে জানা গেছে, যমজ সন্তানদের মায়েরা অনেকদিন বেঁচে থাকেন।

৪. যে সব নারীরা দুগ্ধজাত দ্রব্য বেশি খেয়ে থাকেন, তাদের যমজ সন্তান হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে।

৫. একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, বিশ্বের ৪০% যমজ সন্তানের জন্ম আফ্রিকাতে। ওই সমীক্ষা এমনটিই বলছে।

৬. অধিকাংশ ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রায় ২২% যমজ সন্তানেরা বাঁ-হাতি হয়।

৭. এ ব্যাপারে একটি সমীক্ষা বলছে, যমজ শিশুরা নিজেদের মধ্যে একটি বিশেষ ভাষাতে কথা বলে, যা কিনা একমাত্র তারাই বুঝতে পারে।