ঘরোয়া পদ্ধতিতেই দূর করা যাবে মুখের আলসারের ক্ষত, দেখুন বিস্তারিত

মুখে আলসার খুবই সাধারণ। কখনো কামড় খেলে অথবা ঠাণ্ডা লাগলে এমন আলসারের ক্ষত সৃষ্টি হয়। আলসারের আকার খুব বড় হয়ে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খেতে হবে। তবে সাধারণ আলসারের ক্ষত হলে কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতিতেই তা দূর করা সম্ভব।

এমনিতে নারকেল তেলের গুণ অনেক। ত্বকের জেল্লা ফেরাতে, রান্নায় এর জুড়ি মেলা ভার। কিন্তু মুখের আলসার সারাতেও যে নারকেল তেল সাহায্য করে, তা আগে জানতেন কি! নারকেল তেলে অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল গুণ আছে, যা ব্যাকটেরিয়া দূর করে। এর অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য জ্বালাভাব দূর করে। মুখে আলসার হলে এক-দু ফোঁটা নারকেল তেল লাগিয়ে রাখলে তা অনেকটাই কমে যায়।

বেকিং সোডা জ্বালাভাব দূর করে। বেকিং সোডার পি এইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। বেকিং সোজা ও জলের ঘন মিশ্রণ তারই এক-দু ফোঁটা করে সেটা মুখের আলসারে লাগিয়ে রাখতে হবে। তারপর পরিষ্কার জলে মুখ ধুয়ে নিতে হবে।

মধুতেও অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল উপাদান থাকে। মধুও নারকেল তেলের মতই জ্বালাভাব, ব্যথা ও লালচে ভাব কমায়। মুখের আলসারে এক ফোঁটা মধু লাগিয়ে রাখলে আলসার সেরে যেতে পারে।

অ্যালুম পাউডারে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট থাকে, যা আলসার শুকোতে সাহায্য করে। সামান্য জলের সঙ্গে অ্যালুম পাউডার মিশিয়ে আলসারে লাগাতে হবে। কয়েক মিনিট রেখে তারপর মুখ ধুয়ে ফেলতে হবে।

আলসার সারানোর আরেক ঘরোয়া পদ্ধতি হল নুন। হালকা গরম জলে নুন মিশিয়ে গার্গল করতে হবে। বারবার গার্গল করলে আলসার শুকিয়ে যেতে পারে এবং ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। এভাবেই মুখের আলসার দূর করতে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে।