‘সাত দিন বাদে বিয়ে’! পরিচালককে জড়িয়ে ছবি শেয়ার করলেন অভিনেত্রী ‘নোয়া’ শ্রুতি দাস, পড়ুন বিস্তারিত

দেশের মাটি ধারাবাহিকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী -হলেন শ্রুতি দাস (Shruti Das)। ধারাবাহিকের কেন্দ্রীয় চরিত্রে নোয়ার ভূমিকায় অভিনয় করছেন অভিনেত্রী। অভিনয়-এর সাথে সাথে লেগে রয়েছে নানা রকম বিতর্ক ও।

ধারাবাহিকের অন্য এক মুখ্য চরিত্র মাম্পি অর্থাৎ অভিনেত্রী রুকমা রায়ের (Rooqma Roy) সাথে তুলনা ট্রেনে বারবার খোটা দেয়া হয় অভিনেত্রীকে। অভিনেত্রী শ্রুতি দাসকে হতে হয় বর্ণবৈষম্যের শিকারও। তবে সেসব কিছুই তোয়াক্কা না করে একেবারে নিজের মতই থাকতে ভালোবাসেন অভিনেত্রী।

বাংলা টেলিভিশনের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দারের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কখনওই লুকাননি অভিনেত্রী। নাইট আউট থেকে শুরু করে গাড়ি কেনা, সব সুখের মুহূর্ত তুলে ধরেন সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে।

গত বুধবার সেইরকমই ছবি শেয়ার করতে দেখা গেল অভিনেত্রীকে। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রামের দেওয়ালে ফুটে উঠল কোন এক রেস্তোরাঁয় বসে রয়েছেন প্রেমিকের সঙ্গে। এদিন প্রেমিককে জড়িয়ে ধরে ও ছবি পোস্ট করেছেন ইনস্টাগ্রামে, এর সাথে যোগ করেছেন নিজের কিছু সিঙ্গেল পিকচারও।

সেই পোস্টে নেট পাড়ার চোখ আটকে গেছে তাঁর কপালের এক চিলতে সিঁদুরে। সিঁদুর দেখার পরেই স্বভাবতই নেট নাগরিকদের মনে প্রশ্ন জাগে, তারা লুকিয়ে বিয়ে করে নিয়েছেন নাকি! অবিবাহিত হয়েও হঠাৎ এরকম সিঁদুর পরেছেন এই নিয়ে একাধিক নেটিজেনদের মাথাব্যথা দেখা যায়।

যদিও এক সংবাদমাধ্যমের কাছে অভিনেত্রী শ্রুতি দাস জানিয়েছেন, একদম শুটিং সেট থেকে তিনি সোজা চলে গিয়েছিলেন পাবে। সেই কারণেই রয়ে গিয়েছে শুটিং এর কিছু মেকআপ ও। অভিনেত্রী কথায়, বিয়ে করলে সবাইকে জানিয়েই করবেন তিনি লুকিয়ে লুকিয়ে বিয়ে করার কোন প্রশ্নই ওঠে না।

এদিন ছবি পোস্ট করে ইনস্টাগ্রামে ক্যাপশন দিয়েছেন, ‘আমার ইম্পারফেক্টলি পারফেক্ট হবু বর, তোমায় ভালবাসি’। সঙ্গে যোগ করেছেন হ্যাশট্যাগ ও। হ্যাশট্যাগ এ অভিনেত্রী উল্লেখ করেছেন, ‘সাত দিন বাকি।’ এরকম হ্যাশট্যাগ দেখেই সকলেরই মনে প্রশ্ন জেগেছে, কিসের সাতদিন! সেই প্রসঙ্গে অভিনেত্রী শ্রুতি দাস জানিয়েছেন, আর সাতদিন পর তাঁর প্রেমিকের জন্মদিন।

সেটা বোঝাতে এই হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করেছেন তিনি এবং এখন থেকেই শুরু করেছেন পার্টি। কয়েকদিন আগেই সব পরিবার এবং বন্ধু বান্ধবের সঙ্গে ঘুরতে গিয়েছিলেন সমুদ্রের কোলে। সঙ্গে যেমন ছিলেন বাবা-মা ঠিক তেমনি ছিলেন প্রেমিক স্বর্ণেন্দু সমাদ্দারও। সমুদ্রতট থেকেও বেশ কিছু ছবি ভাগ করে নিয়েছিলেন সামাজিক মাধ্যমের দেওয়ালে।