রান্নার সময় বাঁচিয়ে পরিবেশনকে আরো আকর্ষনীয় করতে জেনে নিন এই ৪০টি টিপস

রান্নাকে সহজ ও সুন্দর করতে টিপসের কোন বিকল্প নেই। ছোট ছোট টিপস যেমন রান্নার সময় বাঁচায় তেমনি পরিবেশনাকে করে আরো আকর্ষনীয়।

১। রান্নাঘরে কাগজ পোড়া ধোঁয়া দিলে মাকড়সার উৎপাত কমে যাবে।

২। তেলে আচার ডুবিয়ে রাখলে আচারে ফাঙ্গাস পড়ে না।

৩। সিদ্ধ করা আলু যোগ করুন তরকারী বা ডালে। লবণ কমা পর্যন্ত ফুটিয়ে নিন। তারপর আলুগুলো তুলে ফেলতে পারেন যদি ইচ্ছা হয়।

৪। আচার তৈরি করার সময় তেলে একটু ভিনিগার মিশিয়ে নিলে আচার অনেকদিন ভালো থাকে।

৫। রেফ্রিজারেটর ঘন ঘন খুললে ও বন্ধ করলে ভেতরে বাতাস ঢুকে খাবার নষ্ট হয়ে যেতে পারে এবং বিদ্যুৎ খরচ হয় বেশি। তাই বারবার না খুলে চেষ্টা করতে হবে রান্নায় যা যা লাগবে তা একবারে বের করে নেয়া।

৬। দেশলাই বাক্সে কয়েকটা শুকনো চাল রেখে দিলে বর্ষাকলেও দেশলাই কাঠির বারুদ ভাল থাকে।

৭। রান্নার সময় হাতে হলুদের দাগ হলে, আলুর খোসা ছাড়িয়ে হাতে ঘষে ধুয়ে নিলে আর হলুদের দাগ থাকে না।

৮। একসাথে অনেক রসুন ছাড়াতে সময় বেশি লাগে। আস্ত রসুন ফুটন্ত জলে মিনিট দুয়েক ভিজিয়ে হাতে ঘষলে ওপরের খোসা ছেড়ে যায়।

৯। রান্নার সময় সাধারণ হাঁড়ি-পাতিলের পরিবর্তে প্রেসারকুকার ব্যবহার করুন। এতে সময় কম লাগবে।

১০। আটার ভুষি দিয়ে বাসন মাজলে পরিষ্কার ও ঝকঝকে হয়।

১১। রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষিত খাবার দ্রুত গরম করতে মাইক্রোওয়েভ ওভেন ব্যবহার করুন।

১২। পিঁয়াজ কাটার আগে দুফালি করে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রেখে কাটলে চোখের পানি আসে না।

১৩। কম সময়ে রান্না করার জন্য বাজারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডে প্রস্তুতকৃত গুঁড়া মসলা ও সস হাতের কাছে রাখুন।

১৪। চিনির পাত্রের মধ্যে দু-চারটি লবঙ্গ দিয়ে রাখলে পিঁপড়ে ঢুকবে না।

১৫। পরদিন রান্না করার জন্য মাংস সেদ্ধ এবং ঠান্ডা করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।

১৬। ঘরের বাইরে খাবার নিতে হলে যদি সাধারণ টিফিন বাক্স ব্যবহার করা হয় তাহলে খাবার বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। কখনোই গরম গরম খাবার বাক্সে নেওয়া যাবে না, এতে খাবার গন্ধ হয়ে যেতে পারে।

১৭। ভাত রান্না করার ক্ষেত্রে রাইসকুকার ব্যবহার করুন।

১৮। রান্না করা খাবার রেফ্রিজারেটরে রাখার আগে বাতাসে ঠান্ডা করে নিতে হবে। গরম খাবার রাখলে রেফ্রিজারেটর নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

১৯। সবজি পরিষ্কার করে কেটে প্যাকেটজাত করে রেফ্রিজারেটরে রাখতে পারেন। এতে কম সময় ব্যয় হবে।

২০। ভ্রমণে শুকনা খাবার নেওয়াই ভালো। অনেকক্ষণ খাবার ভালো থাকে।

২১। বাজার থেকে মাছ-মাংস কেনার সময় পরিষ্কার করে কেটে নিয়ে আসুন। এতে কাজে সুবিধা হবে।

২২। আচারে তেল কম হলে তেল ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে দিলে গন্ধ হয় না।

২৩। খাবার বেশিক্ষণ গরম রাখার জন্য হটপট বা তাপ অপরিবাহী পাত্র ব্যবহার করুন।

২৪। পেয়াঁজ এবং আলু একসাথে একই পাত্রে রাখলে তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।

২৫। রান্নার সময় কোনো কিছু মাপার জন্য পরিমাপক পাত্র (কাপ, চামচ) ব্যবহার করুন। কাজে সুবিধা হবে।

২৬। ভারী বেগুণের হালকা বেগুণ ভালো। কারণ ভারী বেগুণে বিচি বেশি থাকে।

২৭। ডিম ফাটানোর সময় সাদা অংশটা আলাদা করার জন্য ফেটানো ডিম ছাকনিসহ ফানেলের মধ্যে ঢালুন, দেখবেন সাদা অংশ নিচে পড়েছে, কুসুম উপরে রয়ে গেছে।

২৮। বাজার থেকে কেনা যে কোনো পাকা ফল খাওয়ার আগে অন্ততঃ আধঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে ধুয়ে নেওয়া উচিত। কারণ বেশির ভাগ ফল পাকানো ও সংরক্ষণের জন্য কারবাইড ও ফরমালিন ব্যবহার করা হয়।

২৯। মাছ ও মাংস রান্না করার জন্য রেফ্রিজারেটর থেকে নামালে বরফ গলিয়ে বেশিক্ষণ বাইরে রাখা যাবে না। তাতে গরমে সেগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

৩০। ভাত সিদ্ধ হওয়ার আগে পানিতে কয়েক ফোটা লেবুর রস ও এক চামচ তেল দিলে ভাত ঝরঝরা থাকে।

৩১। পোলাও বা খিচুড়ি অথবা চাইনিজ রাইস তৈরির জন্য চালে সামান্য তেল, পেঁয়াজ, লবণ ও সবজি মিশিয়ে রাইসকুকারে দিন। পাঁচ মিনিটে রান্না হয়ে যাবে আপনার সুস্বাদু মজাদার খাবার।

৩২। ন্যুডলস সিদ্ধ করার পর সাথে সাথে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নিলে ঝরঝরা থাকে।

৩৩। কোন কিছু ওভেনে বেক করার জন্য অ্যালুমিনিয়াম পাত্রের তলায় একটু বাটার বা ঘি ছড়িয়ে দিন। দেখবেন খুব সহজে বেক করা খাবার বের করতে পারবেন ও ফ্লেভারটা ভালো হবে।

৩৪। যে কোনো মসল্লা শীতল ও অন্ধকার জায়গায় রাখলে বেশিদিন ভালো থাকে।

৩৫। স্যুপ বা স্যুপি নুডলসের সঙ্গে টুকরা করা ব্রেডে রসুন, বাটার, সামান্য চিনি ও গোলমরিচের পেস্ট লাগিয়ে কয়েক মিনিট গ্রিল বা সেঁকে মচমচে পরিবেশন করুন, দেখবেন খেতে মুখরোচক হবে।

৩৬। চাল ধোয়া জলে স্টীল ও কাঁচের বাসন কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে তারপর ধুয়ে নিলে বাসনগুলো ঝকঝক করবে।

৩৭। পরোটা নরম রাখার জন্য জন্য ময়দা গরম পানি বা টকদই দিয়ে মেখে পাতলা কাপড় দিয়ে কিছুক্ষণ জড়িয়ে রাখুন। দেখবেন খুব সুন্দর নরম ও মজাদার হয়েছে। আবার রুটি বা পরোটা তৈরির সময় বেলার বেলুনে ময়দা বা আটা জড়িয়ে যায়। এ জন্য এগুলো তৈরির আগে অল্প সময়ের জন্য বেলুন ফ্রিজে ঠান্ডা করুন। তাহলে বেলুন দিয়ে বেলার সময় গায়ে কিছু জড়াবে না।